Translate

Showing posts with label Bangladesh News. Show all posts
Showing posts with label Bangladesh News. Show all posts

Sunday, February 12, 2017

ইতিহাস এর আমরাই প্রথম | আমাদের মাতৃভাষা বাংলা | ভাষা আন্দোলন কিছু জানা-অজানা কথা | A Tribute to our Language Movement

► ইতিহাস এর আমরাই প্রথম | আমাদের মাতৃভাষা বাংলা | ভাষা আন্দোলন কিছু জানা-অজানা কথা | A Tribute to our Language Movement...

► স্বাগত প্রশ্ন 
ভাষা আন্দোলনের নিচের ইতিহাস উইকিপিডিয়া অবলম্বনে পুনর্লিখিত হলো। পাঠকের কাছে এ লেখাটি পাঠ শেষে সবিনয়ে জানতে চাইবো : ভাষা আন্দোলনে আমাদের স্বদেশীয় এবং স্বজাতীয় ভিলেন কারা? কেন তাঁরা এরূপ ভিলেন হয়েছিলেন ? 

" Watch Video Here - এখানে ভিডিও দেখুন "  


রাষ্ট্রভাষা দাবি উত্থানের প্রেক্ষাপট বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেয়ার প্রশ্নটি উত্থাপিত হয় ১৯৪৭ সালের ভারত বিভাগের আগে থেকেই। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পূর্বেই আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. জিয়াউদ্দিন উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব করেন, তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ পাল্টা বাংলা ভাষার প্রস্তাব দেন। বাংলাকে পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক ভাষার প্রথম আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব আসে 'গণ আজাদী লীগ' (পরবর্তীতে সিভিল লিবার্টি লীগ)-এর পক্ষ থেকে ১৯৪৭ সালের জুলাই মাসে। তারা তাদের দাবির পক্ষে জোর প্রচারণা চালাতে থাকে। তৎকালীন সময়ে সংবাদপত্রগুলো পাকিস্তানে বাংলা ভাষার সম্ভাবনা নিয়ে বুদ্ধিজীবীদের কলাম এবং নিবন্ধ প্রকাশ করতে থাকে। 
 ►আরো তথ্য জানতে উইকিপিডিয়া wikipedia 



► Click to see all our videos 
: https://goo.gl/l1AeIR



Photo : A Tribute to our Language Movement
❤❤ লাইক,কমেন্ট,শেয়ার ও সাবস্ক্রাইব করার জন্য ধন্যবাদ ❤❤

বিশেষ সতর্কীকরণ : এই চ্যানেলের কোন ভিডিও অনুমতি ছাড়া অন্য কোন চ্যানেলে আপলোড করা কপিরাইট আইনের লঙ্ঘন । আমাদের কোন ভিডিও অন্য কোন চ্যানেলে পাওয়া গেলে কপিরাইট নিয়ম অনুসারে ব্যবস্থা নেয়া হবে .

Sunday, November 27, 2016

২০ লাখ টাকায় কি ইজ্জত পাওয়া যায় ? [ভিডিওসহ] | বিবাহ বিচ্ছেদ কণ্ঠশিল্পী সালমার

 ওয়ান তারকা মৌসুমী আক্তার সালমা ও দিনাজপুর-৬ আসনের সরকার দলীয় এমপি শিবলী সাদিকের বিবাহ বিচ্ছেদ এখন মিডিয়ার টপ অব দ্য কান্ট্রি। সম্পর্কের টানাপোড়েন, কেন এই বিচ্ছেদ, একমাত্র মেয়ে স্নেহা কার কাছে থাকবে- এসব কিছু নিয়ে আরটিভি অনলাইনের মুখোমুখি সালমা। লিখেছেন এ এইচ মুরাদ।

আপনার সাবেক স্বামী শিবলীর অভিযোগ, আপনি নাকি উগ্র জীবনযাপন করতেন।  
আমি কেমন উগ্র জীবনযাপন করছি সেটা কি আপনারা জানেন না? আমি কেমন পোশাকে কীভাবে চলাফেরা করি, তাও সবাই জানেন। আমার দুঃখটা হচ্ছে নিজের দোষগুলো ঢাকার জন্য সে আমার নামে মিডিয়ার কাছে মিথ্যা বলছে।
" Watch Video Here - এখানে ভিডিও দেখুন "

আপনি নাকি রাত করে বাড়ি ফিরতেন ?
আমি শেষ লাইভ শো করেছি আরটিভিতে। সেদিন আমার গুরুজীর (শফি মন্ডল) সঙ্গে অনুষ্ঠানে গান গেয়েছিলাম। রাত ২টায় অনুষ্ঠানটি শেষ হয়। আমার সঙ্গে আরো ছিলেন- ক্লোজআপ ওয়ানের লিজা, আমার বাবা ও মামা। একটা চ্যানেল থেকে যখন আমাকে তাদের অনুষ্ঠানে গান গাইবার জন্য বলা হয়, তখন একজন শিল্পী হিসেবে কি আমার সেখানে যাওয়া উচিত না? রাতে কোনো অনুষ্ঠানে গান গাওয়া মানে যদি নোংরামি হয়, তাহলে আমার কিছু বলার নেই।

টাকা নেয়ার জন্যই নাকি ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ?
দু’জনেরই সমাজে থাকতে হবে। সবারই ব্যক্তিগত জীবন আছে। উনার তো অনেক টাকা, তার কাছে তো লাখ লাখ টাকা। সে তো স্বপ্নপুরীর (পিকনিক স্পট) মালিক, দিনাজপুর-৬ আসনের এমপি। আপনারা তাকে পাল্টা প্রশ্ন করেন, কেনো তাকে ছেড়ে সালমা চলে গেলো। কী এমন অত্যাচার করেছে আমাকে। যে কারণে আমি তাকে ছাড়তে বাধ্য হয়েছি।

২০ লাখ টাকা দিয়ে কি ইজ্জত পাওয়া যায় ভাইয়া ? ক্লোজআপ ওয়ান হবার পর থেকেই একটানা শো করছিলাম। একজন ফোক শিল্পীর প্রতি মাসে ১০/১২টা শো থাকেই। সেখান থেকে পাওয়া টাকার অংকটাও কম না। যদি অর্থের পেছনেই ছুটতাম, তাহলে এমন ক্রেজের সময় সবকিছু ছেড়ে কেন সংসার আঁকড়ে ধরেছিলাম?

কার পক্ষ থেকে ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত আসে ?
সে তার নিজ উদ্যোগে ডিভোর্সের ব্যবস্থা করেছে। তার লোকজন দিয়ে চাপ দিয়েছে। আমাকে টাকা দিয়ে বলা হয়েছে- আমি যেন তাকে ডিভোর্স দেই। আমি সম্পর্ক রক্ষার জন্য লাস্ট পর্যন্ত চেষ্টা করেছি। তার হাত ধরে বলেছি- শিবলী তুমি একবার শুধু বলো, আমার জন্য সবকিছু ছাড়তে পারবা। কিন্তু উল্টো সে বলেছে- আমাকেই সবকিছু ছাড়তে হবে। এমনকি সে যদি বিয়েও করে তবুও আমি কিছু বলতে পারবো না। এ কেমন জীবন, যেখানে আমার কোনো অস্তিত্ব থাকবে না?

স্নেহা কার কাছে থাকবে ?
৩ মাস মেয়েকে দেখতে দেয়নি সে। অনেক কান্নাকাটি করেছি। তবুও দেখতে দেয়নি। একটা পর্যায়ে আমি তাকে (শিবলী) বলেছি- একজন মেয়ে হিসেবে না, একজন মা হিসেবে আমার সন্তানের জন্য লড়বো। মা হিসেবে আমারও অধিকার আছে। সন্তানের জন্য যেখানে যেতে হয় আমি যাবো। যা করতে হয় করবো। আমার কাছ থেকে মেয়েকে কেড়ে নিয়ে ফেসবুকে আজেবাজে কথা বলেছে। ক্যারিয়ারের জন্য আমি নাকি সন্তানকে ছেড়ে এসেছি। কিন্তু এসব মিথ্যা, আমার কাছ থেকে সন্তানকে কেড়ে নেয়া হয়েছিল। ছোট্ট মেয়ে আমার, ও কি মাকে রেখে একা থাকতে পারে? সবশেষ ডিভোর্সের দিন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, সপ্তাহে তিনদিন করে স্নেহা দু’জনের কাছে থাকবে।

বাড়ি ছেড়েছিলেন কেন ?
আমি রাতের পর রাত তার জন্য অপেক্ষা করেছি। কিন্তু সে আমার কাছে আসেনি। সে কখনোই আমাকে সময় দেয়নি। সবসময় রাজনীতির দোহাই দিতো, অন্য রাজনীতিকদের কি বউ-বাচ্চা নেই? এতো অবমূল্যায়ন কেমনভাবে সহ্য করবো? আমার যদি ইউনিভার্সিটি যাওয়া দোষ হয়ে থাকে, টেলিভিশনে অনুষ্ঠান করা দোষ হয়, মা-বাবাকে অপমানের প্রতিবাদ করা যদি দোষ হয়, বউ হিসেবে তার ভালোবাসা চাওয়া অপরাধ হয়ে থাকে, তাহলে সেই অপরাধ আমি মাথা পেতে নিলাম। ও ভালো থাকুক, ওর জন্য আমার দোয়া রইলো। একদিন হয়তোবা বুঝবে, তখন আর ফেরার সুযোগ নেই। সেই পথ সে নিজেই বন্ধ করে দিল।

পাঁচ মাস ধরে নাকি আপনি বাড়ির বাইরে ?
এ সময়টা মা-বাবাকে নিয়ে একটা ভাড়া বাসায় ছিলাম। ভেবেছি, ও এসে আমাকে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে। সে আশাতেই ছিলাম। আমার সঙ্গে একবারও যোগাযোগ করেনি। কখনো বলেনি- সালমা আমার ভুল হয়ে গেছে, আমাকে ক্ষমা করে দাও। উল্টো আমাকে তার লোকজন এসে ডিভোর্সের চাপ দেয়। বলে, ডিভোর্স না দিলে আমরাই পাঠাচ্ছি।


জানতাম ভালোই আছেন...
প্রায়ই ড্রিংক করে যেকোনো বিষয়েই আমাকে মারধর করতো। আমি মেয়ে বলে তার অত্যাচার সহ্য করবো, এমন ভাবার কারণ নেই। সমাজের কথা ভেবে ছ’টা বছর গুমরে গুমরে কেঁদেছি। গান থেকে বিরত থেকেছি এই সংসারটা আঁকড়ে ধরবো বলে। এমনকি কয়েকবার সুইসাইড করতেও গিয়েছিলাম। কিন্তু শেষরক্ষা হলো না। আমি কোনোটাই পারলাম না। সবাই আমার আর আমার সন্তানের জন্য দোয়া করবেন, আমি আর কিছু বলতে পারছি না (কিছু না বলে শুধুই কাঁদলেন)।

কিছুক্ষণ পর আবার শুরু করলেন সালমা...
লাস্ট একটা কথাই বলবো, আমি ওকে অনেক ভালোবাসি। আমার পুরো পৃথিবীজুড়েই ছিল সে। তার কী একটিবারও মনে হচ্ছে না- আমার ছোট্ট বউটাকে ও মেয়েকে কেন হাসির পাত্র বানাচ্ছি?

আজ থেকে ৭ দিন আগে আমাদের ডিভোর্স হয়েছে। তার কথা ভেবে আমি কাউকে বলিনি। সামনে নির্বাচন, এটা প্রকাশ হলে হয়তো তার ক্ষতি হবে। অথচ সে-ই তার লোকজন দিয়ে বাজে বাজে সংবাদ প্রকাশ করাচ্ছে।

এখন কী করবেন ?
আমি গানের সঙ্গেই থাকবো। এলএলবি পড়ছি। স্নেহা (একমাত্র মেয়ে) আমার একমাত্র অবলম্বন। আমি বিয়ের কথা আর ভাবছি না। আমার বাবা-মাও আমার কাছে সন্তান। তাদের নিয়েই ভালো থাকতে চাই।

Tuesday, November 15, 2016

দেওয়ানবাগী কী বলে কুরান হাদীস মানুষ কে মুক্তি দিতে পারে না "নাউজুবিল্লাহ" | আল্লাহ হেদায়েত দাও

কুদরতে খোদা বললেন,  মোরশেদ কী? মোরশেদ হচ্ছেন এমন একজন মহামানব যিনি মুরিদকে মনজিলে মকসুদে পৌঁছাইতে সক্ষম। মোরশেদ হচ্ছেন এমন একজন মহামানব যিনি মুরিদকে ‘আল্লাহ’ পাওয়াইতে সক্ষম। মোরশেদ হচ্ছেন এমন একজন মহামানব যিনি মুরিদকে ‘রাসুল’ পাওয়াইতে সক্ষম।’ গোলাম কুদরতে খোদা দেওয়ানবাগীর উচ্চমর্যাদা উল্লেখ করতে গিয়ে বলেন, এমন মোরশেদের কদমে আসার সুযোগ হয়েছে, যাকে আল্লাহ এতো উচ্চ মর্যাদা দিয়েছেন, দুনিয়াতে আর কোনো অলিআল্লাহ, নবি রাসুলকে এতো উচ্চর‌্যাংক দেন নাই। আল্লাহ তাকে আকাশের পূর্ণিমার চাঁদের মতো উচ্চর‌্যাংক দিয়েছেন। আমরা শুধু মোরশেদ পাই নাই, সর্বোৎকৃষ্ট মোরশেদ পেয়েছি। তিনি বলেন, আপনার আমার মোরশেদ কে? দেওয়ানবাগী। বিশ্বাস করেন এই কথা? মনে প্রাণে মানেন এই কথা? তাহলে মনে প্রাণে আজকে থেকে এইটা মানেন, কেয়ামত পর্যন্ত আপনার আমার মোরশেদ থাকবেন দেওয়ানবাগী। কেয়ামত পর্যন্ত এই মোহাম্মদি ইসলামের মোরশেদ থাকবেন কে বলেন? কে থাকবেন? দেওয়ানবাগী। কেয়ামত পর্যন্ত এই মোহাম্মদি ইসলামের মোরশেদ হবেন দেওয়ানবাগী। আমি স্পষ্টরূপে দেওয়ানবাগীর গোলাম কুদরতে খোদা বলছি- চিরকাল, কেয়ামত পর্যন্ত আপনার আমার মোরশেদ হবেন দেওয়ানবাগী। কে হবেন? দেওয়ানবাগী। 

" Watch Video Here - এখানে ভিডিও দেখুন "

যদি আপনারা এইটা মানতে পারেন, এই কথা অন্তরে বসাইতে পারেন কেয়ামত পর্যন্ত, মনে রাইখেন ওই মোরশেদ আপনার কবরে যাবে, আর গিয়ে বলবে এ আমার গোলাম ছিল, একে হাজির করো। সম্মানিত আশেকে রাসুলেরা, মুক্তি দেয়ার ক্ষমতা আমার নাই, আমি শুধু মোরশেদের কাছে আপনার জন্যে সুপারিশ করতে পারি। এই কথা বলে কুদরতে খোদা আবার বলেন, মুক্তিদাতা কে বলেন? দেওয়ানবাগী। ঠিক না, ঠিক না? মুক্তি দেয়ার ক্ষমতা কার? মুক্তির সুপারিশকারী কে? আল্লাহর কাছে সুপারিশকারী কে? (ভক্তরা ক্রসগলায় বলেন, দেওয়ানবাগী) মনে থাকবে? যদি এই কথা চিরকাল অন্তরে রাখতে পারেন কোনো দিন বেঈমান হবেন না। যদি বেঈমানের হাত থেকে বাঁচতে চান আমি গোলাম কুদরতে খোদার এই কথা মনে রাইখেন। যতদিন বাঁচবো দেওয়ানবাগীকে মোরশেদ রুপে মানবো। যতদিন বাঁচবো দেওয়ানবাগীর কদমের নিচে থাকবো। মৃত্যুর আগপর্যন্ত, নিজের জীবনের শেষ রক্ত বিন্দু থাকা পর্যন্ত দেওয়ানবাগী আমাদের মোরশেদ থাকবেন।

এমন অসংখ্য উক্তি আছে দেওয়ানবাগীর। তার গুণ গেয়ে জারিগান করা হয়েছে। তার
Photo : দেওয়ানবাগী পীর ।

নামে দুরদ তৈরি করা হয়েছে। তার নামে মিলাদ করা হয়, দুরদ পাঠ করা হয়। মুরিদরা সপ্তাহে অন্তত একদিন তার নামে জিকির করে। মতিঝিলে তার অট্রালিকা বাবে রহমতের ছাদে সবুজ রঙের গম্বুজ করা হয়েছে। সেখানে যখন তার নামে দরুদ পাঠ করা হয় এবং জিকির করা হয়, স্বয়ং আল্লাহ ও রাসুল কাবাঘর নিয়ে তার কাছে হাজির হন। আল্লাহ তার পক্ষে শ্লোগান দেন। রাসুলকে তিনি পূর্ণজীবন দান করেছেন। এমন বহু কথা লেখা আছে তার প্রকাশনা সংস্থা সুফি ফাউন্ডেশন থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন বই এবং পত্রপত্রিকায়।


সুফি ফাউন্ডেশন থেকে প্রকাশিত পত্রপত্রিকা, বই পুস্তক ঘেটে জানা যায়, ১৯৪৯ সালে ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়ার বাহাদুরপুর গ্রামে জন্ম নেন এই কথিক সুফি সম্রাট মাহবুবে খোদা। বাবা আবদুর রশিদ, মা যুবেদা খাতুন। মাদরাসায় সামান্য কিছু লেখাপড়া করেছেন। বিয়ে করেছেন নারায়ণগঞ্জের আরেক বিতর্কিত পীর, চন্দ্রপাড়া পীরের মেয়ে হামিদা বেগমকে। সেখান থেকেই মূলত তিনি পীরব্যবসার তালিম নেন এবং ১৯৮৬ সালে একই জেলার দেওয়ানবাগ এলাকায় এসে আস্তানা গাড়েন। নিজেকে দেওয়ানবাগী পীর বলে প্রচার করতে শুরু করেন। কিন্তু সেখানে তিনি বেশি দিন টিকতে পারেননি। বিতর্কিত কর্মকান্ডের জন্যে এলাকাবাসী তাকে বিতাড়িত করে। এরপর তিনি ঢাকার মতিঝিলের আরামবাগে গড়ে তোলেন নতুন সাম্রাজ্য। রাতারাতি নির্মাণ করেন ১০ তলা একটি দালান। ঢাকায় আসার পর তার পীরব্যবসা জমে উঠতে শুরু করে তর তর করে। শহরের ধনাঢ্য ব্যক্তি থেকে শুরু করে বিচারপতি, রাজনীতিক, আমলা, ব্যবসায়ীদের ক্রমশ আকৃষ্ট করতে সক্ষম হন তিনি। গড়ে তোলেন নিজস্ব মাস্তান বাহিনী। তাদের দিয়ে সরকারি জমিসহ আশপাশের আরও কিছু জমি দখল করে নেন। নির্মাণ করেন বিরাট আস্তানা। সাথে একটি উটের খামার করেন। দেশের পশু সংরক্ষণ আইন লঙ্ঘন করে বেশ কিছু উট পালন করেন সেখানে এবং সেই উটের দুধ বিক্রি করেন চড়া দামে। জানা যায়, প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ কেজি উটের দুধ বিক্রি হয় তার খামার থেকে। কিন্তু উটগুলো দুধ দেয় মাত্র ৪ থেকে ৫ কেজি। বাকি দুধের রহস্য কেউ জানে না। টেলিভিশনসহ বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে, দেয়ালে দেয়ালে লাল মোটা অক্ষরের চিকা মেরে শুরু করেন বিশ্ব আশেকে রাসুল সম্মেলন। অভিযোগ আছে, দেওয়ানবাগী তার শ্বশুর চন্দ্রপাড়া পীরের বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণের টাকা চুরি করে পালিয়েছিলেন ১৯৮৬ সালে। পরে সেই টাকা দিয়েই দেওয়ানবাগ এবং আরামবাগের আস্তানা গড়ে তোলেন।


দেওয়ানবাগী তার নিজের গুণকীর্তন করার জন্যে এবং তার বিতর্কিত, ঈমান আকিদাবিরোধী বক্তব্য প্রচারের জন্যে সুফি ফাউন্ডেশন নামে একটি প্রকাশনা সংস্থা করেন। সেখান থেকে বিভিন্ন বই এবং চারটি পত্রিকা প্রকাশ করা হয়। এসব পত্রিকার মধ্যে একটি হলো, মাসিক আত্মার বাণী। দেওয়ানবাগীর ভক্তরা মনে করেন এই পত্রিকা চুবিয়ে পানি খেলে সব সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। দেওয়ানবাগী তার প্রকাশিত পত্রিকা এবং বইতে অসংখ্য বিতর্কিত এবং ইসলামের মূল বিশ্বাস পরিপন্থি কথা লিপিবদ্ধ করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- আল্লাহ কোন পথে বইয়ের প্রথম সংস্করণের ২৩ নং পৃষ্ঠায় তিনি লিখেছেন, তার স্ত্রী হামিদা বেগম এবং তার মেয়ে তাহমিনা সুলতানা আল্লাহকে গোঁফ-দাড়িবিহীন সুন্দর যুবকের আকৃতিতে দেখেছেন। তার আস্তানায় এসে আল্লাহ, সকল নবি রাসুলগণ এবং ফেরেশতারা মিছিল করেন। আল্লাহ নিজে তার পক্ষে শ্লোগান দেন। কোনো লোক যখন নফসির মাকামে গিয়ে পৌঁছায় তখন তার আর ইবাদত করার দরকার হয় না। সুতরাং দেওয়ানবাগীর নিজেরও কোনো ইবাদতের দরকার হয় না। ১৯৮৯ সালে দেখা একটি স্বপ্নের বর্ণনা করে দেওয়ানবাগী তার বইতে লিখেছেন, আমি দেখি, ঢাকা এবং ফরিদপুরের মধ্যবর্তী স্থানে একটি বিশাল ফুলের বাগান। বাগানটির এক জায়গায় একটি ময়লার স্তুপ। ওই ময়লার উপর উলঙ্গ এবং মৃত অবস্থায় নবি পড়ে আছেন। আমি কাছে গিয়ে তার হাত ছোঁয়াতেই তিনি জীবিত হয়ে ওঠেন এবং হাসিমুখে আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, হে ধর্মের পুনর্জীবনদানকারী। এর পর আল্লাহ এবং সকল নবি রাসুলগণ দেওয়ানবাগীকে নিয়ে মিছিল করেন। আল্লাহ দেওয়ানবাগীর পক্ষে শ্লোগান দেন। দেওয়ানবাগী তার জন্ম নিয়েও এক রসাত্মক কাহিনী রচনা করেছেন। তাতে বলা হয়েছে, সুফি সম্রাট দেওয়ানবাগী হুজুরের জন্মগ্রহণের আগের রাতে তার মা স্বপ্ন দেখেন- আকাশে ঈদের চাঁদ উদিত হয়েছে। চাঁদ দেখতে তিনি ঘরের বাইরে এলে চাঁদটি আকাশ থেকে তার কোলে নেমে আসে। তখন তার মা বুঝতে পারেন, আল্লাহ তাকে সৌভাগ্যবান সন্তান দান করবেন। দেওয়ানবাগী কখনও হজ করতে যাননি। এর ব্যাখ্যায় তিনি তার বইতে লিখেছেন, স্বয়ং আল্লাহ কাবাঘর নিয়ে তার কাছে এসে উপস্থিত হয় তাই হজ করতে সৌদি যাওয়ার কোনো দরকার হয় না। সে নিজেকে মোহাম্মদি ইসলামের একমাত্র ধারক এবং মহামানব উল্লেখ করে নিজের নামে দরুদ রচনা করেছেন এবং তার ভক্তদের সেই দরুদ পাঠ করতে বাধ্য করেন। 
দেওয়ানবাগী তার বই এবং বিতর্কিত পত্রপত্রিকার পক্ষে বিশিষ্টজনদের প্রশংসা ও অভিনন্দন বার্তা প্রকাশ করেছেন নানা সময়। বিশিষ্টজনদের মধ্যে সাবেক প্রেসিডেন্ট, বিচারপতি, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, আইনজীবী, মন্ত্রী, এমপিরাও রয়েছেন। তবে যাদের নামে প্রশংসা বার্তা প্রকাশ করা হয়েছে তাদের প্রায় সকলেই পরে জানিয়েছেন, দেওয়ানবাগী তাদের স্বাক্ষর জালিয়াতি করেছেন। সাবেক প্রেসিডেন্ট এরশাদ, শামিম ওসমান, ফজলে রাব্বি, শামসুজ্জামান দুদুসহ অনেকেই দেওয়ানবাগীর শাস্তিও দাবি করেছিলেন। তার জালিয়াতি প্রমাণের জন্যে ১৯৯৯ সালের শেষ দিকে একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছিল। কিন্তু তদন্তের ফলাফল আজ অবধি জানা যায়নি। অনেকেই মনে করেন, সে সময়ের তদন্ত রিপোর্ট ধামাচাপা পড়ার নেপথ্য কারণ হলো এমপি, মন্ত্রী, আমলাসহ অনেক ধনকুবের সাথে দেওয়ানবাগীর সখ্যতা। দেওয়ানবাগীর অপকর্ম এবং ইসলামের মৌলিক বিশ্বাস পরিপন্থি কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম ১৯৯৯ সালের শেষের দিকে প্রতিবাদ জানায় ঈমান আকিদা সংরক্ষণ কমিটি নামের একটি সংগঠন। সে সময় তাদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছিল। সেই সংঘর্ষে কয়েকজনের প্রাণহানীও ঘটেছিল। সে সময় পুলিশ দেওয়ানবাগীর আস্তানায় হানা দিয়ে ব্যাপক গোলাবারুদ, হাতবোমা, বন্দুক, গুলি, রামদা, কিরিচ, চাকু, বল্লম, চাপাতি উদ্ধার করেছিল এবং তার ৪৩ জন্যে ক্যাডারকে গ্রেফতার করেছিল।
ক'মাস আগে দেশে গিয়েছিলাম। সে সময় ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় দেখলাম দেওয়ানবাগ, রাজারবাগ, কুতুববাগ, চন্দ্রপাড়া, আটরশি, মাইজভান্ডারি, শুরেশ্বরিসহ প্রভৃতি পীরদের বিশাল বিশাল তোরণ। পথে প্রান্তরে হাজার হাজার ব্যানারে ঝুলছে তাদের বিতর্কিত বাণী। মাইলকে মাইল জুড়ে রাস্তার দুই ধারে তাদের নামে ফ্লাগ টানিয়ে রাখা হয়েছে। মোটা মোটা অক্ষরে শহরের বিভিন্ন জায়গায় লাল কালি দিয়ে চিকা মেরে রাখা হয়েছে। সরকারি জায়গা, সাধারণ মানুষের জায়গা দখল করে, শহরের গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলো আটক করে তারা ওরশের আয়োজন করেছে। কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে সারা দেশে তোরণ বানিয়েছে। কোনো কোনো তোরণের চূড়ায় কালো কাপড় দিয়ে কাবাঘরের আকৃতি তৈরি করতে দেখেছি। এসব কা-কারখানা দেখে বারবার শুধু মনে হয়েছে, এরা কোথায় পায় এতো টাকা? এদের আয়ের উৎস কী? এদের বিপুল ক্ষমতার উৎস কোথায়? খোঁজ নিয়ে জেনেছি, এরা মূলত সবাই ইসলামের মৌলিক আদর্শ এবং বিশ্বাস পরিপন্থি কর্মকান্ডে লিপ্ত। এদের সকলের গোড়া একই জায়গায়। বিভিন্ন নামে চালিয়ে যাচ্ছে পীরব্যবসা। এদের অবশ্য পীর বলা ঠিক না। কারণ যে অর্থে আমাদের দেশে পীর শব্দটা ব্যবহারিত হয় এরা তার ঠিক বিপরীত। এরা সমাজের একটি জঘন্য দুষ্টুচক্র। এদের পীর বললে দেশের হক্কানি পীরদের অসম্মান করা হয়। মানুষকে বিভ্রান্ত করা হয়। ইসলামের মৌলিক জ্ঞান এদের কারও মধ্যে নেই। শিক্ষাগত যোগ্যতার পরিধিও খুব সামান্য। ধর্মের নামে সাধারণ মানুষকে ধোঁকা দেয়াই এদের কাজ। সমাজের বড় বড় অসাধু ধড়িবাজ কালো টাকাধারীরাই এদের বিপুল অর্থের উৎস। অসাধু রাজনীতিক, ব্যবসায়ী, বিচারপতি এবং আমলারাই এদের মাথার ছাতা। ওরসের সময় অসৎ ব্যবসায়ী এবং নির্বোধ সাধারণ মানুষরা প্রতিযোগিতা করে টাকা দেয় এদের খুশি রাখতে। তারা মনে করে, পীর খুশি থাকলেই তাদের সব মুশকিলের আসান হবে। যাবতীয় নিয়ত পূরণ হবে। বাস্তবে হয়ও তাই। পুলিশের ঘুষের টাকার মতো কথিত এই পীরদের ওরশ বা আশেকে রাসুল সম্মেলন থেকে আয়ের টাকা টপ টু বটম ভাগ হয়। এলাকার মান্তান, প্রশাসন থেকে শুরু করে রাষ্ট্রের শীর্ষমহল পর্যন্ত টাকার ভাগবাটোয়ারা হয়। সমাজের সকল বড় বড় অন্যায়ের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে এইসব কথিত পীররা। ধর্মের আড়ালে তারা তাদের আস্তানা থেকে গুটি চালে। এধার কা মাল ওধার করে। সাধারণ মানুষের সামনে একটা মিথ্যা আধ্যাত্ম্যিক জগত সৃষ্টি করে রাখে।এইসব পীরদের কথা বলার ধরন দেখলে যে কারও মনে হবে এরা স্রেফে নেশাগ্রস্ত বিকার মানুষ ছাড়া আর কিছু নয়। অথচ হাজার হাজার মানুষ মন্ত্রমুগ্ধের মতো এদের কথা শোনে। ভক্তি করে। শ্লোগান দেয়। কারণ এরা ধর্মের নামে এক রকম মিথ্যাজগৎ সৃষ্টি করে রাখে মানুষের চোখের সামনে। তাছাড়া এদের কাছে গেলে নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পর্দার মতো ইসলামের মৌলিক কোনো নির্দেশ পালন করতে হয় না; বরং মদ, গাঁজা, জুয়া, যৌনাচার সবই করা যায় অবাধে। অন্যায় অপকর্ম কোনো কিছুতেই পীরের নিষেধ নেই। এমন সুযোগ কে হাতছাড়া করতে চায়? যারা কথিত এইসব পীরদের কাছে যায় তারা এতোটা বোকা কেউ না যে জাগতিক এমন সুযোগ হেলায় হারাবে। খোঁজ নিলে দেখা যাবে, যারা কথিক এই পীরদের কাছে যায় তারা সবাই কোনো না কোনোভাবে অনৈতিক কাজের প্রতি আসক্ত। নির্বিঘ্নে নিজেদের আসক্তি মেটাতেই তারা যায় কথিত পীরদের আস্তানায়। এই সুযোগ গ্রহণ করে কথিত পীররা। ইসলাম সম্পর্কে সাধারণ মানুষের অজ্ঞতা এবং জাগতিক মোহই এইসব পীরদের প্রধান পুঁজি। এরা প্রতিনিয়ত মনগড়া কথা বলে মানুষকে বিভ্রান্ত করে। ধর্মের আড়ালে এরা অপরাধ জগতের এক একজন ঘাপটিমারা সম্রাট। এদের নিয়ন্ত্রণে দেহব্যবসা, মাদকব্যবসা, খুন-খারাবি থেকে শুরু করে সকল অপকর্ম সংঘটিত হয়। অথচ এসব নিয়ে কারও কোনো মাথাব্যথা নেই। দুদক বা ইনকাম ট্যাক্স ওয়ালারা এদের আয় ইনকাম বা সম্পদের খোঁজ নিতে যায় না। হেফাজতের নাস্তিকবিরোধী আন্দোলন দেখে কিছুটা আশান্বিত হয়েছিলাম। ওই আন্দোলনটি বাঁচিয়ে রাখতে পারলে এক সময় ইসলামের মৌলিক আদর্শবিরোধী এসব কথিক পীরদের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা যেতো। সাধারণ মানুষকে এদের ভন্ডামির বিষয়ে সচেতন করা যেতো। কিন্তু তা হলো না। সরকারী কূটকৌশলে হেফাজত এখন নিজেই হেফাজতে আছে।

দেখুন সাকিবের ১ ওভারে মাশরাফির ৪ ছক্কা | Mashrafe hits 4 sixes in a over to shakib | "6 0 6 0 6 6"

দেখুন সাকিবের ১ ওভারে মাশরাফির ৪ ছক্কা | Mashrafe hits 4 sixes in a over to shakib | মাশরাফির ব্যাটিং তান্ডব......

" Watch Video Here - এখানে ভিডিও দেখুন "


বিপিএলের ১৩ তম ম্যাচে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের অধিনায়ক মাশরাফি ঢাকা ডায়নামাইটসের অধিনায়ক সাকিবের এক ওভারে মেরেছেন ৪ ছয়! দেখুন সাকিবের বলে মাশরাফির ব্যাটিং তান্ডব- (6 0 6 0 6 6)

Photo : Mashrafe hits 4 sixes in a over to shakib


Wednesday, October 12, 2016

Education System in Bangladesh ( বাংলাদেশে শিক্ষা ব্যবস্থা )

 বাংলাদেশে শিক্ষা ব্যবস্থা 

Education System in Bangladesh




Primary Education

 The Bangladeshi education system is unusually complex in that primary, middle, senior and tertiary education are oriented towards general, madresh (religious) or technical / vocational preferences Even private schools and universities are heavily subsidized – in fact the constitution decrees that children between ages 6 and 10 shall pay nothing. To complicate things further, local education is controlled by a hierarchy of school boards. The first phase, fully free primary school lasts for 5 years, typically between ages 6 and 10.

Middle Education

 Pupils aged approximately 11 years of age enter junior secondary school. This is a critical phase in their young lives, for here they must confirm an educational choice that may dictate their futures irrevocably.

Secondary Education

 Those who choose to complete the last 2 of their 10 school grades at general secondary schools may specialize in humanities, science or commerce to mention but a few. At the end of this they may write a secondary school certificate examination supervised by no less than 7 school boards. Alternatively, they may elect to follow the madrash religious education route that culminates in a different series of similar level tests.

Vocational Education

 Other students switch across to vocational training institutes or technical training centers administered by the ministry of education and the ministry of labor and employment respectively. Choices here are between longer-term professional certification and shorter term job-specific orientation.

Tertiary Education

Bangladesh Education Students who stay either course have choices once again. These include writing their higher secondary education certificate after 2 more years at a technical / poly technical institute where they hone their practical skills further. Alternatively, they may enter one of many private or state-funded universities for 5 years of undergraduate study. Dhaka University was founded in 1921 as a statement of national identity. Many believe that without this oxford of the east the nation could hardly be independent and self-governing today.

Grading System in Bangladesh


Grading Scales:

Most Common

ScaleGrade DescriptionUS GradeNotes
60.00 - 100.00First DivisionA
55.00 - 59.99Second DivisionB+
50.00 - 54.99Second DivisionB
43.00 - 49.99Second DivisionC+
35.00 - 42.99Third DivisionCSome institutions consider a lower grade than 35 as passing
0.00 - 34.99FailF

Higher School Certificate

GradeScaleScale 2US Grade
A+5.0080.00 - 100.00A+
A4.00 - 4.9970.00 - 79.99A
A-3.50 - 3.9960.00 - 69.99A-
B3.00 - 3.4950.00 - 59.99B
C2.00 - 2.9940.00 - 49.99C
D1.00 - 1.9933.00 - 39.99D
F0.00 - 0.990.00 - 32.99F



Bangladesh Credentials


Credential
Secondary School Certificate
Certificate of Education
Diploma in Commerce
Higher Secondary Certificate
Senior Certificate
Technical Diploma
Associate degree in Nursing
Diploma in Homeopathic Medicine and Surgery
Two-year Bachelor's degree
Vocational Diploma
Bachelor of Education
Bachelor of Fine Arts
Three-year Bachelor's degree
Bachelor's degree
Diploma in Nursing and Midwifery
Master's degree in Arts and Science
Master's Degree in Business
Master's Degree in Education
Bachelor of Medicine and Bachelor of Surgery
Bachelor's degree in Law and Medicine
Master of Science in Pharmacy
Master of Laws
Master of Philosophy
Master of Philosophy in Medicine
Master of Science in Cardiology
Master of Science in Engineering
Master of Science in Veterinary Science
Master's of Laws
Postgraduate Diploma in Medicine or Dentistry
Doctor of Laws
Doctor of Philosophy
Doctor of Science


Ministry of Education


Bangladesh moe logo Ministry of Education

Building #6, Floor # 17th & 18th
Bangladesh Secretariat
Dhaka-1000, Bangladesh

Phone: 7168711
Fax: 88-02-7167577
E-mail: info@moedu.gov.bd 

Website: www.moedu.gov.bd

Sunday, October 9, 2016

বদরুল এবং খাদিজার প্রেমের গোপন তথ্য ফাস... । " আইন হাতে তুলে নেয়ায়–আইন বদরুলের বিচার করবে।তাই আমি বদরুল কে গালি দেব না।।কিংবা গালি দেব না বদরুলের প্রাণের সংগঠন ছাত্রলীগ কে"

বদরুল খাদিজার প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে ফেসবুকে একটি লেখা ও বদরুলের সাথে খাদিজার একটি ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ছে।
http://studiopandabd.blogspot.com/

নিউজ ডেস্ক ঃ
পাঠকের স্বার্থে লেখাটি হুবুহ তুলে ধরা হলঃ
“”বদরুল”–জিরো…
“”খাদিজা”–হিরো…
“প্রেমের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেয়ায় নয়–
দীর্ঘদিন প্রেম করে,,তারপর ধোকা দেয়ায়
“খাদিজা”কে কুপিয়েছে “বদরুল”।
একজন মেধাবী ছাত্র-কেন হঠাৎ জাতীয় বখাটে হয়ে গেল??এই প্রশ্ন করেছেন নিজেকে??
“বদরুলের নামে রেজিষ্ট্রেশন করা মোবাইল সীম ব্যবহার করে “খাদিজা” যখন-“বদরুল” ছাড়া বাকী সব প্রেমিকের সাথে যোগাযোগ রেখেছিল–“বদরুল” ত তখন-ই খুন হয়ে গিয়েছিল।।”
ফাঁশিতে ঝুলবার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিল বলেই–প্রকাশ্যে হত্যার চেষ্টা করেছিল “বদরুল”।।
আমার মায়ের বুক খালি হবার আগে তোর মায়ের বুক খালি করবো-এটা খাদিজাকে আগেই বলেছিল বদরুল।।
অন্যায় জেনেই অন্যায় করেছিল বদরুল-
তাই ঘটনার আগে ফেবুতে লিখেছিল–
“নিষ্টুর পৃথিবীর মানুষের কাছে আমি সবিনয়ে ক্ষমা প্রার্থী ”
“মন ভাঙার বিচার করার কোন আদালত নাই পৃথিবীতে””তাই নিজের বিচার নিজেই করেছে “বদরুল”।
আইন হাতে তুলে নেয়ায়–আইন বদরুলের বিচার করবে।অবশ্যই করবে।তার দৃষ্টান্ত মুলক সাজা হবে। তাই আমি বদরুল কে গালি দেব না।।কিংবা গালি দেব না বদরুলের প্রাণের সংগঠন ছাত্রলীগ কে।।
বদরুল যদি বখাটে হয়–তবে তাকে বখাটে বানিয়েছে খাদিজা।।
কিন্তু এখন–“বদরুল” জিরো
“খাদিজা”হিরো।।
বি.দ্র…”পাপীকে নয়,
“পাপকে ঘৃণা করুন।।
মন্তব্য করুনঃ

Monday, September 12, 2016

সফলতার সাথে শেষ হল সালমান শাহ স্মরণ উৎসব ( Salman Shah recalled the festival ended successfully.)

সফলতার সাথে শেষ হল সালমান শাহ স্মরণ উৎসব.


 শেষ হলো ঢুলি কমিউনিকেশনস আয়োজিত প্রাণ-আপ নিবেদিত ‘সালমান শাহ স্মরণ উৎসব-২০১৬’। সফল আয়োজন আর দর্শকদের উপচে পড়া ভিড়ের মধ্য দিয়ে সপ্তাহব্যাপী আয়োজিত এ উৎসব অনুষ্ঠিত হয় রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী প্রেক্ষাগৃহ বলাকা সিনেওয়ার্ল্ডে।

গত ৬ই সেপ্টেম্বর ছিল অকালপ্রয়াত সালমান শাহ’র ২১তম মৃত্যুবার্ষিকী। মূলত এ দিনটিকে উপলক্ষ করে ঢুলি কমিউনিকেশনস আয়োজন করে এ ব্যতিক্রমী এবং প্রশংসনীয় স্মরণ উৎসবের।

প্রথমবারের মতো আয়োজিত এ উৎসবের জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সালমান শাহ’র আবিষ্কারক পরিচালক সোহানুর রহমান সোহান, প্রথম নায়িকা মৌসুমী, সমসাময়িক সুপারহিট নায়ক ওমর সানী, এ সময়ের আলোচিত নায়ক অনন্ত, চলতি প্রজন্মের মডেল-নায়ক নিরব-ইমন-আলিফ, নায়িকা আইরিন, প্রযোজক-প্রদর্শক নাসিরুদ্দিন দিলু, নুরুল পারভেজ, নির্মাতা দেবাশীষ বিশ্বাস, অনিমেষ আইচ, মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ, রেদওয়ান রনি, সিনিয়র সাংবাদিক দেওয়ান হাবিবুর রহমান, সৈকত সালাহউদ্দিন, প্রাণ-আপের ব্র্যান্ড ম্যানেজার মনিরুল ইসলাম, সিনিয়র মিডিয়া ম্যানেজার সুজন মাহমুদসহ সালমান শাহ’র অগুনতি ভক্ত-দর্শক ও চলচ্চিত্রপ্রেমী।

উৎসবের উদ্বোধন ঘোষণা করেন যৌথভাবে সোহানুর রহমান সোহান ও মৌসুমী। জমকালো এ অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনার দায়িত্ব পালন করেন আনজাম মাসুদ ও ফারহানা নিশো। উৎসব উপলক্ষে ওই দিন ঢুলি কমিউনিকেশসন প্রকাশ করে সালমান শাহ’র বায়োগ্রাফি ও ছবিসংবলিত একটি দুর্লভ সুভ্যিনির এবং একটি ভিজ্যুয়াল ডুকুমেন্টরি। এদিন উদ্বোধনী ছবি হিসেবে প্রদর্শিত হয় সালমান শাহ’র প্রথম ছবি ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’।

ঢুলি কমিউনিকেশনসের আয়োজনে প্রাণ-আপ নিবেদিত এ স্মরণ উৎসবে ৬ থেকে ১১ই সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন একটি করে ছয়টি উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হয়। প্রথম দিন ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’, দ্বিতীয় দিন ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, তৃতীয় দিন ‘সুজনসখি’, চতুর্থ দিন ‘অন্তরে অন্তরে’, পঞ্চম দিন ‘তুমি আমার’ এবং সমাপনী ছবি হিসেবে ১১ই সেপ্টেম্বর(গতকাল) দিনব্যাপি প্রদর্শিত হয় ‘সত্যের মৃত্যু নাই’।

উৎসবের সফল সমাপ্তি প্রসঙ্গে আয়োজক প্রতিষ্ঠান ঢুলি কমিউনিকেশনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আল মাহমুদ মানজুর বলেন, মৃত্যুকে শোক নয় বরং সালমানের সৃজন উৎকর্ষতাকে অনুপ্রেরণায় পরিণত করতেই তাদের এ আয়োজন। এ উৎসব আয়োজনের মধ্য দিয়ে ঢুলি চায় প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে সালমান শাহ’র চিত্রশৈলী ছড়িয়ে দিতে। এ উৎসবকে সাফল্যমণ্ডিত করতে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন তিনি।

Saturday, September 3, 2016

Hanif Enterprise; At one time he was just a truck. He is now 1 billion as the owner of the bus ? (হানিফ এন্টারপ্রাইজ; এক সময় মাত্র একটি ট্রাক ছিল তার। এখন তিনি ১২শ' বাসের মালিক যেভাবে ?)

হানিফ এন্টারপ্রাইজ

হানিফ এন্টারপ্রাইজ; এক সময় মাত্র একটি ট্রাক ছিল তার। এখন তিনি ১২শ' বাসের মালিক

এক সময় মাত্র একটি ট্রাক ছিল তার। এখন তিনি একে একে ১২শ’ বাসের মালিক। দেশের বিভিন্ন এলাকার সঙ্গে সেতুবন্ধন তৈরি করে চলেছে তার বাসগুলো। এলাকায় তিনি ‘ফাদার অব ট্রান্সপোর্টেশন’ হিসেবেই পরিচিত।
সংগ্রামী ও সফল এই মানুষটির নাম জয়নাল আবেদীন। হানিফ এন্টারপ্রাইজের স্বপ্নদ্রষ্টা তিনি। জীবনের শুরুটা বেশ বন্ধুর ছিল তার। তবে তা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হন নিরলস শ্রম আর কঠোর অধ্যাবসায়ে।
তার হাত ধরেই বিকশিত হয়েছে দেশের পরিবহন খাত। গণপরিবহনে তার ভূমিকা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে সবাই। এলাকার মানুষ তাকে ডাকেন জয়না মহাজন নামে।

জয়নাল আবেদীনের জন্ম ও বেড়ে ওঠা ঢাকার সাভারে। মাত্র একটি ট্রাক নিয়ে পথ চলা শুরু। পরবর্তীতে শুরু কোচ ব্যবসা। গড়ে তোলেন পরিবহন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ‌‘হানিফ এন্টারপ্রাইজ’। ছোট ছেলে হানিফের নামেই গড়ে তুলেছিলেন হানিফ এন্টারপ্রাইজ। তারপর আর পেছনে তাকাতে হয়নি।

পেট্রোল পাম্প, সিএনজি স্টেশন, ব্রিকস ম্যানুফ্যাকচারিং, কোল্ডস্টোরেজ, পানীয় ও প্রকাশনা ব্যবসাও গড়ে তুলেছেন এ স্বপ্নবাজ মানুষ। পরবর্তীতে যেখানেই হাত দিয়েছেন সোনা ফলিয়েছেন সেখানেই।
Hanif Enterprise বড় ছেলে আলহাজ্ব কফিল উদ্দিন রাজনীতিবিদ। সাভার উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমান সরকারের আমলে নানা প্রতিবন্ধকতার বেড়াজাল ডিঙ্গিয়ে বিপুল ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হয়েছেন সাভার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান।
তবে রাজনীতি সম্পর্কে তীব্র অনীহা জয়নাল আবেদীনের। বাবা হাজী মো. আজিম উদ্দিন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় টানা দুই যুগ আমিনবাজার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। কিন্তু রাজনৈতিক পরিবারে বেড়ে উঠলেও প্রথম থেকেই রাজনীতিকে পাশ কাটিয়ে চলেছেন জয়নাল আবেদীন। মিডিয়া তাকে আকর্ষণ করে না।
সবাই দুই ছেলেকে চিনলেও হানিফ এন্টারপ্রাইজের আসল কারিগর জয়নাল আবেদীন সবসময়ই গণমাধ্যমকে এড়িয়ে চলেছেন। তাই তাকে নিয়ে কৌতুহলের শেষ নেই সাধারণ মানুষের।
সম্প্রতি জয়নাল আবেদীনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে বিনীতভাবে জানিয়ে দেন, কোন সাক্ষা‍ৎকার ও ছবি নেওয়া যাবে না। কিন্তু পাঠকদের আগ্রহের কথা স্মরণ করিয়ে দিতেই কিছুটা নমনীয় হন তিনি। বলতে থাকেন তার সাফল্যের সেই দিনগুলোর অজানা গল্প।
জয়নাল আবেদীন বলেন, আমার জন্ম সাভারের আমিনবাজারের হিজলা গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম ব্যবসায়ী পরিবারে। পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে আমি ছিলাম পঞ্চম। বাবা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান থাকার সময় আমদানি রফতানির ব্যবসা করতেন। বিশেষ করে তিনি ধান-চাল ও চামড়ার সফল ব্যবসায়ী ছিলেন।
আমার বাবাই ছিলেন প্রথম ব্যবসায়ী যিনি সে সময় প্রথম করাচী, বোম্বে (বর্তমান মুম্বাই) ও বার্মার (বর্তমানে মায়ানমার) সঙ্গে জলপথে আমদানি-রপ্তানির ব্যবসা শুরু করেন। সে সুবাদে সমাজের অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তি ও রাজনীতিবিদ আসতেন আমাদের বাড়িতে। সে সময় আমার বড় ভাই সালাউদ্দিন ডাক্তারি পড়ছিলেন।

Image result for Hanif Enterpriseআমি তখন ভর্তি হই আমিনবাজার মিরপুর মফিদ-ই-আম জুনিয়র মাদ্রাসায়। সেখান থেকে বাবা আমাকে ভর্তি করেন মিরপুর সিদ্ধান্ত উচ্চ বিদ্যালয়ে। সে সময় আমি অত্যন্ত দূরন্ত ছিলাম। লেখাপড়ায় মন ছিল না। সারাদিন এখানে ওখানে ঘুরতাম।
এরই মধ্যে বাবা বড় ভাইয়কে বিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন। মিরপুরের হাজী নুরুল ইসলামের মেয়ে মমতাজ বেগমের সঙ্গে তার বিয়ে ঠিক করলেন। কিন্তু বড় ভাই তখন বিয়েতে রাজি ছিলেন না। তাই আমাকেই বসানো হলো সেই বিয়ের পিঁড়িতে। তখন আমার বয়স মাত্র ১৪ বছর। আর মমতাজ বেগমের বয়স ছিল মাত্র ১২ বছর।
পড়াশোনায় মনোযোগী না হওয়ায় ব্যবসা শুরু করলাম। বাবার টাকায় শুরু করলাম ধান-চালের ব্যবসা। সে সময় এতো পরিবহন তো ছিলই না, এমনকি দূরপাল্লার রাস্তাও ছিল কম। যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম ছিল ট্রেন, না হয় নৌপথ।

Image result for Hanif Enterprise
ধান-চালের ব্যবসায় কমলাপুর থেকে ট্রেনে সান্তাহার-সেখান থেকে বাসে চেপে নওগাঁ-তারপর টমটম ধরে মহাদেবপুর-সেখান থেকে পায়ে হেটেঁ চলে যেতাম মহিষবাথান নামের জায়গায়। সেখানের মানুষ আমার কাছে তিন হাজার টাকা দেখে অবাক! তারা ভাবছিল এত কম বয়সী ছেলের হাতে এত টাকা! এমনকি আমাকে চাল ব্যবসায়ী মনে করাটাও বোকামি মনে করছিল অনেকে।
হঠাৎ পূর্ব পাকিস্তানে চালে আকাল। চালের সরবরাহ কম, মূল্য বেশী। তাই চাল কিনতে প্লেনে চেপে যশোর গেলাম। ভাড়া ছিলো মাত্র ২৭ টাকা। সাথে ছিল আমার গোমস্তা। সে সময়ই আমি একাই আড়াইশ মণ চাল কিনলাম। এবার ফেরার পালা।

নানা ঘাট হয়ে আমাদের চাল বোঝাই নৌকা যখন মুন্সীগঞ্জের কাছে পদ্মায় ভাসছিল তখন প্রচণ্ড ঝড়ে নৌকা ডুবে গেল। সে যাত্রায় মাঝিদের সহায়তায় প্রাণে রক্ষা পাই। যতদূর মনে পড়ে, ওই দুর্ঘটনায় হাতের মুঠোয় আকঁড়ে রাখা ৫০ টাকা ছিল বাড়ি ফেরার শেষ সম্বল। বাড়ি ফিরে ধান-চালের ব্যবসা বাদ দিলাম।
এরপর পরিবারের ৫ ভাই একসঙ্গে হজ্ব করতে সৌদি আরবে গেলাম। এ ঘটনা এলাকায় তো বটেই, ভরতবর্ষেও তোলপাড় তুলে দিলো। তৎকালীন লর্ড এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করে আমাদের পরিবারকে ঐতিহ্যবাহী পরিবার অ‍াখ্যা দেন। এলাকায় আমাদের বাড়ির নাম হলো হাজী বাড়ি। আমরা কলকাতা বন্দর থেকে জলপথে জাহাজে চেপে সৌদি বন্দরে পৌঁছালাম। সেখান থেকে উটের পিঠে চড়ে গেলাম মক্কা-মদিনায়।

স্বাধীন হওয়ার পর দেশ পুনর্গঠনে ডাক পড়লো। মানিক মিয়া এভিনিউ, সংসদ ভবন এলাকায় তখন বোরো ক্ষেত। ওই ক্ষেতে সাব কন্ট্রাক্টে শুরু করলাম মাটি ফেলার কাজ। মাত্র ১৪ হাজার টাকায় তিন টনি একটি পেট্রোল ট্রাক কিনলাম।
সেখান থেকেই শুরু। সঙ্গে কয়েকটি ট্রাক ভাড়াও নিলাম। পরে ট্রাকটি বিক্রি করে বেডফোর্ডের পাঁচ টনি ডিজেল ট্রাক কিনলাম।
একই সময় কাজ পেলাম ফেনীর মাতা ম‍ুহুরী নদীর বাঁধ নির্মাণে। সেখানেও সাব কন্ট্রাক্ট। মাটি ফেলার জন্যে ঠিকাদার আমাকে অগ্রীম ১০ লাখ টাকা দিলেন। তা দিয়ে কিনলাম দুটি হিনো কোচ। ছোট ছেলে হানিফের নামে যাত্রা শুরু করলো ‘হানিফ এন্টাপ্রাইজ’। প্রথমে ঢাকা-বগুড়া রুটে।
পরবর্তীতে একটির সাফল্য ধরে আরো একটি একটি করে রুট বাড়তে থাকলো। এভাবেই গত চার দশকে বহরে যুক্ত হয়েছে ১২শ’ বাস।

Image result for Hanif Enterprise
রাজনীতিতে না আসার কারণ জানতে চাইলে জয়নাল আবেদীন বলেন, হয়তো আরও বহুদূর যেতাম! তারপর নিজের আবেগ থামিয়ে সতর্ক হয়ে কথায় ফিরিয়ে আনেন নিজেকে।
বর্তমানে হানিফ এন্টারপ্রাইজে প্রায় ৫০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান রয়েছে। সততা, বিশ্বস্ততা আর নির্ভরতার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন জয়নাল আবেদীন। আজ অনেকেই তার দুই ছেলেকে চেনেন। আর এখানেই তার আনন্দ।

Tuesday, August 30, 2016

Bangladesh Jamaat strike on Wednesday to protest the execution of Mir Kasem (বাংলাদেশে মীর কাশেমের ফাঁসির প্রতিবাদে বুধবার জামায়াতের হরতাল)

সংগঠনের ওয়েবসাইটে বিবৃতি প্রকাশের মাধ্যমে বুধবার হরতাল ডেকেছে জামায়াতে ইসলামী।

“আমি ভেতরে ভেতরে খুব উদ্বিগ্ন। আগামীকালের জন্য অত্যন্ত উদ্বিগ্ন”।
জামায়াতের অর্থ যোগানদাতা হিসেবে পরিচিত শীর্ষস্থানীয় নেতা মীর কাশেম আলীর রিভিউ আবেদনের রায় ঘোষণার ঠিক একদিন আগে এই বক্তব্য দিয়েছিলেন বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।
তার এই বক্তব্যটি গতকাল (সোমবার) বাংলাদেশের গণমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত হয়।
রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা হিসেবে সুপ্রিম কোর্টে রাষ্ট্রপক্ষ হয়ে মীর কাশেমের মামলাটি পরিচালনা করেন মি. আলম।
মঙ্গলবার সেই রিভিউ আবেদন খারিজ করে দেবার পর মাহবুবে আলম সাংবাদিকদের কাছে স্বস্তি প্রকাশ করে বললেন, “যে আশা নিয়ে সমস্ত জাতি এবং আমি অপেক্ষা করেছি সেটা সম্পূর্ণ হয়েছে। এজন্য আমরা এ রায়ে সন্তুষ্ট”। সোমবার মাহবুবে আলমের বক্তব্যে আসন্ন রায় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশের ঘটনা নানারকম আলোচনার জন্ম দিয়েছিল।
বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন, কি কারণে এমন মন্তব্য করে থাকতে পারেন অ্যাটর্নি জেনারেল?

মীর কাশেম আলী ২০১২ সালের জুন মাস থেকেই কারাবন্দী। এখন তার ফাঁসীর দণ্ড কার্যকর করার জন্য অপেক্ষা শুধু রিভিউ আবেদনের রায় প্রকাশের এবং মি. আলী যদি রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণ ভিক্ষার আবেদন করেন, তবে তার জবাবের। (ফাইল চিত্র)

আজ সেই প্রশ্নের জবাব দিলেন তিনি।
বললেন, “আইনজীবী হিসেবে আমি এই মামলাটি পরিচালনা করেছি। আমার উদ্বিগ্ন হওয়া স্বাভাবিক। অন্যান্য যুদ্ধাপরাধীদের মৃত্যুদণ্ড যেভাবে বহাল রয়েছে এটা তা না থাকলে আমি এবং সমগ্র জাতি হতাশ হতাম। তার থেকেই এই উদ্বিগ্নতা”।
তবে রায় নিয়ে স্পষ্টতই অসন্তোষ প্রকাশ করেছে আসামী পক্ষ।
মীর কাশেম আলীর আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেছেন, অসত্য তথ্যপ্রমাণ দেখিয়ে এই রায় বহাল রাখা হয়েছে।
তবে সর্বোচ্চ আদালতের এই রায় তারা মেনে নিচ্ছেন বলে উল্লেখ করেন।
এই রায়কে সরকারী ষড়যন্ত্র হিসেবে উল্লেখ করে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।
দলটির ওয়েবসাইটে দেয়া এক বিবৃতিতে এই বক্তব্য দেয়া হয়েছে।
বিবৃতিতে আগামীকাল বাংলাদেশ জুড়ে হরতাল পালনের ঘোষণা দিয়েছে জামায়াত।

এই প্রতিবেদন শেয়ার করুন:

Monday, August 29, 2016

What risara stabbed with a treat ! (ছুরিকাহত রিশার সঙ্গে এ কেমন আচরণ !)

ছুরিকাহত রিশার সঙ্গে এ কেমন আচরণ!

আমার মেয়ে মরতো না। ছুরিকাহত হওয়ার পরও সে বেঁচে ছিল। শুধু একটি গাড়ি যদি স্কুলকর্তৃপক্ষ দিত, তাহলেই রিশাকে হয়ত বাঁচানো যেত। কিন্তু, তারা দেয়নি। পুলিশ কেসের ভয়ে কেউ এগিয়ে আসেনি। শিক্ষক নাকি অভিভাবক! আর সেই অভিভাবকের সামনেই মেয়েটি আমার মৃত্যুযন্ত্রনায় দাপাচ্ছিল। 
স্কুল ছাত্রী রিশা হত্যা: ইভটিজিংয়ের ঘটনা এখনও ঘটছেমেয়েটি আমার চিরদিনের জন্য চলে গেল!- হাউমাউ করে কাঁদতে কাঁদতে এ কথাগুলোই বারবার বলছিলেন উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী সুরাইয়া আক্তার রিশা মা তানিয়া হোসেন। তাকে শান্তনা দেওয়ার সকল চেষ্টাই যেন ব্যর্থ হচ্ছিল।
গত বুধবার (২৪ আগস্ট) উইলস ফ্লাওয়ার স্কুলের সামনের ফুটওভার ব্রিজে ওই স্কুলের শিক্ষার্থী রিশাকে ছুরিকাঘাত করে বৈশাখী টেইলার্স কাটিং মাস্টার ওবায়দুল খান। গুরুতর আহতাবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তির পর রবিবার (২৮ আগস্ট) রিশা মারা যায়। এদিনই ঘাতকের শাস্তির দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে শিক্ষার্থীরা। সোমবার (২৯ আগস্ট) রিশা হত্যার বিচার চেয়ে ফের জড়ো হয় শিক্ষার্থীরা। প্রথমে স্কুল মাঠে এবং পরে কাকরাইলে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে তারা। এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন রিশার বাবা মো. রমজান হোসেন, মা তানিয়া হোসেনসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা। ছিলেন অন্য অভিভা্বকরাও। ডিএমপির পক্ষ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ঘাতক ওবায়দুলকে গ্রেফতার করার আশ্বাস দেওয়া হলে অভিভাবকরা বিক্ষোভ স্থগিত করেন।
এদিন উপস্থিত রিশার অভিভাবক, অন্য শিক্ষার্থীদের অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা ঘাতকের পাশাপাশি রিশার মৃত্যুর পেছনে স্কুল কর্তৃপক্ষের গাফিলতিকে দায়ী করেন। তাদের অভিযোগ, রিশা ছুরিকাহত হওয়ার পর স্কুল কর্তৃপক্ষ কোনও দায়িত্ব নেয়নি। তারা দ্রুত ব্যবস্থা নিলে রিশাকে তাড়াতাড়ি হাসপাতালে নেওয়া যেত। এমনকি ওইসময় ঘটনাস্থলে স্কুলের গাড়ি থাকলেও তা দেওয়া হয়নি। এগিয়ে আসেননি কোন শিক্ষক। তবে স্কুল কর্তৃপক্ষ এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, তাদের কোনও গাফিলতি ছিল না।
কাকরাইলে অবস্থিত উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলে সোমবার সকাল সাড়ে ১১ টায় গিয়ে দেখা যায়, স্কুল মাঠে জড়ো হয়েছে স্কুল শিক্ষার্থীরা। তারা সেখানে এ হত্যার বিচার চেয়ে স্লোগান দেয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন রিশার বাবা মো. রমজান হোসেন, মা তানিয়া হোসেনসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা। এ সময় বুক চাপড়ে কাঁদছিলেন রিশার মা তানিয়া হোসেন। রিশার অভিভাবকরা বলেন, 'রিশা ছুরিকাহত হয় স্কুলের সামনের ফুটওভার ব্রিজে। সেখান থেকে সে রক্তাক্ত অবস্থায় এসে দাঁড়ায় স্কুলের ভেতরে, তখন তার পেটের বাম দিক থেকে রক্ত পড়ছিল। স্কুলের গাড়িটা তখন পাশেই ছিল, কিন্তু কর্তৃপক্ষ তাকে গাড়িটা দেয়নি। কোনও শিক্ষক এগিয়ে আসেননি। এ অবস্থায় প্রথমে কলেজ সেকশনের দু'জন শিক্ষার্থী এসে ওর ওড়না খুলে পেটে বেঁধে পাশের ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিন্তু তারা গুরুতর আহত বলে ঢাকা মেডিকেলে পাঠিয়ে দেয়। রিকশায় করে এখান থেকে ওকে তারা নিয়ে যায়। পুলিশ কেস হবে বলে স্কুল কর্তৃপক্ষ এগিয়ে আসেনি। স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল বলেছেন, মামলা হবে, ধরা যাবে না।''
রিশার মা বিলাপ করে বলেন, ''আমার বাচ্চার রক্ত পড়ছিল, কিন্তু ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপালসহ কেউ এগিয়ে আসেননি। শিক্ষার্থীরা কোলে করে হাসপাতালে নিয়ে গেছে, পেটের ভেতর থেকে নাড়ি বের হয়ে গিয়েছিল।'' এ সময় তিনি স্কুল কম্পাউন্ডে থাকা গাড়ি দেখিয়ে বলেন, ''ওই যে কতগুলো গাড়ি, কিন্তু আমার বাচ্চাকে কেউ একটা গাড়ি দেননি। দিলে আমার বাচ্চাটা বাঁচতো, ওরে তাড়াতাড়ি নেওয়া যেত হাসপাতালে।''
স্কুলের সাবেক শিক্ষার্থী ও রিশার শিক্ষক সুমিত বলেন, ''ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপালকে সঙ্গে সঙ্গে জানানো হয়েছে কিন্তু তিনি পুলিশ কেস বলে মন্তব্য করে তার রুম থেকেই বের হননি।''
এদিকে বিক্ষোভে উপস্থিত অভিভাবকরা বলেন, ''আমরা যখন কাল মানববন্ধ করেছি, তখন শিক্ষকরা আমাদের কাছ থেকে ব্যানার কেড়ে নিয়েছেন। তারা আমাদের নামে মামলা করার হুমকি দিয়েছেন। একজন শিক্ষিকা আমাদের অশিক্ষিত, মূর্খ বলেছেন।''
শিক্ষার্থীদের মানবন্ধন নিয়েও স্কুল কর্তৃপক্ষ বিরূপ আচরণ করেছে বলে অভিযোগ করেছেন অভিভাবকরা। উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের অভিভাবক ফোরামের সদস্য সচিব আঞ্জুমান আরা বলেন, ''নিজ বাসার পরে একটি শিশুর নিরাপদ জায়গা হলো তার স্কুল। কিন্তু এই ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল (অধ্যক্ষ) অদক্ষ। তিনি রিশা আহত হওয়ার পর কোনও পদক্ষেপ নেননি। সহযোগিতা করেননি। গাড়িটা পড়ে ছিল স্কুল মাঠে কিন্তু রিশাকে গাড়িটা দেননি তিনি।''
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল সহকারী অধ্যাপক মো. আবুল হোসেন। তিনি বলেন, ''অভিভাবকদের এ অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমি যখনই শুনেছি, তখনই ঢাকা মেডিকেলে ছুটে গেছি। অভিভাবকরা আমার নামে মিথ্যা কথা বলছেন।''
এদিকে সোমবার দুপুরে ঘাতক ওবায়দুলকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করার আশ্বাস দিয়ে অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। তবে এদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত আসামিকে গ্রেফতারের কোন খবর পাওয়া যায়নি। সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন।

john Kerry praised Bangladesh tweets (বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রশংসা করে টুইট জন কেরির)


Image result for john kerry v twitterImage result for twitter

 ঢাকা: বাংলাদেশের উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করে টুইট করেছেন ঢাকা সফররত যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি। সোমবার (২৯ আগস্ট) দু’টি পৃথক টুইটে তিনি এ প্রশংসা করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেও বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রশংসা করেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

একটি টুইটে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎকালের ছবি পোস্ট করে কেরি টুইট করেন, “উন্নয়নে বাংলাদেশের অসাধারণ গল্প রয়েছে। আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আনন্দিত।”

তারপরের টুইটে কেরি লেখেন, “বাংলাদেশে আজ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এরমধ্যে ছিল নিরাপত্তা ইস্যু এবং কট্টরপন্থি সহিংসতার বিরুদ্ধে আমাদের দৃঢ় সহযোগিতার বিষয়ও।”
একদিনের ঝটিকা সফরে সকালে ঢাকায় আসা কেরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়াও বৈঠক করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলীর সঙ্গেও। তিনি এখন বৈঠক করছেন বিএনপি চেয়ারপাসরন খালেদা জিয়ার সঙ্গে। এসব বৈঠকে কেরির আলোচনায় সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে এবং উন্নয়নে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা আরও বাড়ানোর প্রকাশ পেয়েছে।

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More

 
Design by Free WordPress Themes | Bloggerized by Lasantha - Premium Blogger Themes | Design Blog, Make Online Money