Translate

Saturday, September 3, 2016

মোবাইল ফোন হারালে বা চুরি হলে কি করবেন? জেনে নিন সহকারী পুলিশ সুপার মাসরুফ হোসেনের পরামর্শ ।

মোবাইল ফোন হারালে বা চুরি হলে কি করবেন? জেনে নিন সহকারী পুলিশ সুপার মাসরুফ হোসেনের পরামর্শ ।

মোবাইল ফোন হারালে বা চুরি হলে কি করবেন? জেনে নিন সহকারী পুলিশ সুপার মাসরুফ হোসেনের পরামর্শ ।

বর্তমান সময়ে মোবাইল বা স্মার্টফোন চুরি হয়ে গেলে বা হারিয়ে গেলে বেশি দুশ্চিন্তা থাকে ফোনটির অপব্যবহার নিয়ে। যে কারণেই এ দুশ্চিন্তা। সাধের মোবাইল ফোন হারানোর দুঃখ কী, তা অনেকেই জানে৷ চুরি হলে মনে জাগে আশঙ্কা – চোর বুঝি সব তথ্য পড়ে ফেললো !
চোর ভাবে, চোরাই ফোন বিক্রি করে যদি দু-পয়সা কামানো যায়৷ তাহলে উপায়? মোবাইল ফোন চালু রাখা ও বন্ধ রাখার প্রযুক্তি রয়েছে। কিন্তু দূর থেকে মোবাইল ফোন অকেজো করে ফেলার কার্যকর কোনো পদ্ধতি নেই। প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো যেমন বসে নেই চুরি ঠেকাতে নিত্য নতুন প্রযুক্তি বা সফটওয়্যার তৈরিতে তেমন চোরেরাও বের করছে নানান ফন্দি ফিকির। এই আর্টিকেলটিতে মূলত প্রযুক্তি বিষয়ের চেয়ে আইনগত দিক এবং সচেতনতাকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। তাহলে জেনে নিন সহকারী পুলিশ সুপার জনাব মাসরুফ হোসেনের পরামর্শ।
প্রিয় সদস্যবৃন্দ,
সুদূর জাপান থেকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। শুরুতেই বলে নিই, আমার এই পোস্টটি কোন যাদুমন্ত্রমূলক পোস্ট নয়-কাজেই আশাহত হবার আগেই সতর্ক করে দিই।এখানে আমি শুধু পুলিশি পরামর্শ দিচ্ছি,যেটি হয়ত আপনার কাজে লাগতে পারে। হাতে ৫ মিনিট সময় থাকলে পড়ে দেখুন
বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় “আইজেক” ক্লাবের উদ্যেগে বাংলালিংক-এর তৎকালীন সিইও আমাদের একটি সেমিনারে এসেছিলেন। সুইজারল্যান্ডে বাড়ী, তুখোড় স্মার্ট ওই ভদ্রলোক অনেক মজার মজার কথা বলেছিলেন, তার মধ্যে যেটি এখনো মনে আছে সেটি হচ্ছেঃ
“The closest thing to your body after your underwear is your mobile phone”
আমাদের শরীরের ( এবং মনের) এত কাছাকাছি থাকা সত্বেও মোবাইল ফোন চুরি যাওয়াটা আমাদের প্রায় নিত্যদিনের ঘটনা। এই চুরি ঠেকাতে আদি এবং অকৃত্রিম একটাই পরামর্শঃ সতর্ক থাকুন।
আমি নিজে খুব “মেসি”(ফুটবলার Leo Messi না, অগোছালো Messy) টাইপের মানুষ, প্রায়ই এটা ওটা হারিয়ে ফেলি। এই সেদিনই মাথা ঢাকার ক্যাপটা সুন্দর করে মেট্রো রেলে ফেলে রেখে চলে এসেছি।খেয়াল করে লাভ হয়নি, আমার চোখের সামনে ট্রেন ছেড়ে দিলো, আমি শুধুই “চেয়ে চেয়ে দেখলাম”।আপনার অবস্থাও এরকম যদি হয়, সবচেয়ে ভালো বেল্ট টাইপ কিছু ব্যবহার করা। বাসে ওঠার সময় পকেটে এক-হাত দিয়ে উঠুন, মোবাইল-মানিব্যাগ যে পকেটে রেখেছেন ওটা ধরে রাখুন।
আজ একটা মেসেজ পেলাম, এক ভদ্রমহিলা লিখেছেন, গত ৫ মাসে উনার ৩ টা মোবাইল হারিয়েছে, সব কটাই আইফোন আর গ্যালাক্সী নোট।
আইফোনগ্যালাক্সী নোট 

৫ মাসে যদি ৩ টা আইফোন আর গ্যালাক্সী নোট হারানর “সামর্থ্য” আপনার থাকে, সেক্ষেত্রে পুলিশি পরামর্শ খুব একটা খুব একটা প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন সতর্ক হওয়া অথবা অতিরিক্ত টাকা এতিমখানায়(কিংবা দুঃস্থ পুলিশ কল্যান সংস্থায়) দান করে দেয়া।
এবার কাজের কথায় আসি। যদি সতর্ক থাকার পরেও আপনার মোবাইল ফোন চুরি যায়, সেক্ষেত্রে নিম্নোক্ত তিনটি স্টেপ অনুসরণ করুনঃ
১) আইএমইআই নম্বর উল্লেখ পূর্বক থানায় জিডি করুন
২) জিডির এক কপি সহ র‍্যাবে অভিযোগ করুন। অনেকেই জানেন না, র‍্যাব পুলিশেরই একটি বিশেষায়িত ইউনিট।
৩) জিডির কপিতে উল্লেখ করা অফিসারের সাথে যোগাযোগ রাখুন এবং তার মাধ্যমে ডিবি এর ট্র্যাকিং টিমের সহায়তা নিন।
অনেক সময় দেখা যায় আইটিতে দক্ষ ইউজার নিজেই ট্র্যাক করে বের করে ফেলেছেন মোবাইলের অবস্থান। এরকম হলে ডিবির জন্যে বসে থেকে লাভ নেই, লোকেশন সহ জিডিতে উল্লেখিত অফিসারের সহায়তা নিয়ে চোর মশাইকে “খপ” করে ধরে ফেলুন।
জিডি করে বেশিরভাগ সময়েই ফোন ফেরত পাওয়া যায়না। এর কারণ হচ্ছে, আমাদের ট্র্যাকিং টিম মূলতঃ প্রায়োরিটি দেয় অতি গুরুত্বপূর্ন কেইসগুলোর মোবাইল ট্র্যাকিং-কে।খুন, সন্ত্রাস-ইত্যাদি সংশ্লিষ্ট মোবাইল ট্র্যাক করাই এদের মূল কাজ, তাই হারিয়ে যাওয়া মোবাইল উদ্ধারের সিরিয়াল বহু পরে আসে- ততদিনে আপনি নতুন মোবাইল কিনে ফেলেন!
মাসরুফ হোসেন   (সহকারী পুলিশ সুপার )
মাসরুফ হোসেন   (সহকারী পুলিশ সুপার )                                                           
তবুও জিডি করবেন কেনঃ
১) আপনার মোবাইল ব্যবহার করে কেউ অপকর্ম করলে ওটা যাতে আপনার ঘাড়ে না পড়ে সেজন্যে। আপনার হারিয়ে যাওয়া মোবাইলে সংরক্ষিত তথ্য ব্যবহার করে কেউ যদি অপকর্ম করে, জিডির কপি দেখিয়ে সেটার দায় থেকে রক্ষা পেতে পারবেন।
২) হঠাৎ হঠাৎ জিডির দ্বারা ট্র্যাকিং করে মোবাইল পাওয়া গেলেও যেতে পারে।

এবার মেয়েদের জন্যে একটা পরামর্শ, জেন্ডার বায়াসড শোনালেও ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছিঃ
প্লিজ, মোবাইল ফোনে নিজেদের এমন কোন ছবি রাখবেন না যেটা প্রকাশ হওয়াটা আপনার জন্যে সামাজিক এবং অন্যান্য ক্ষতি বয়ে আনতে পারে।আরো ভালো হয়, যদি এধরণের ছবি না তোলেন। অন্তরংগ মুহূর্তে কেউ ওরকম ছবি তুলতে চাইলে ওই ভদ্রলোকের(ক্ষেত্রবিশেষে ভদ্রমহিলার) উদ্দেশ্য সম্পর্কে সন্দিহান হয়ে উঠুন, একবারের ভালবাসা সারাজীবনের ভালবাসা নয়! এটা পুলিশি অভিজ্ঞতা থেকে পাওয়া Strictly Professional একটা পরামর্শ দিলাম।

In some ways pathetic easy to remove the dark spots on the lip smoking ( ঠোঁটের ধূমপানজনিত কালচে দাগ দূর করুণ সহজ কিছু উপায়ে )






 সিগারেট থেকে হওয়া ঠোঁটের কালো দাগ দূর করাটা প্রায় দুঃসাধ্য একটি ব্যাপার। এর জন্য প্রথমত আপনার ধূমপান করা ত্যাগ করতে হবে। অনেকের ঠোঁট বংশগত কারণেই কালচে হয়ে থাকে। তবে সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি, ধূমপান, অ্যালার্জি, অতিরিক্ত ক্যাফেইন গ্রহণ, হরমন সমস্যা ইত্যাদি কারণেও ঠোঁটের রং কালচে হয়ে যায়। তাছাড়া নিয়ম করে যত্ন না নিলেও ঠোঁট কালো হয়ে যেতে পারে।
আসুন, জেনে নেয়া যাক ঠোঁটের কালো দাগ দূর করতে যা করবেন।

some ways pathetic easy to remove the dark spots on the lip smoking১। একটি পাতলা লেবুর টুকরোর ওপরে খানিকটা চিনি ছিটিয়ে প্রতিদিন ঠোঁটে ঘষুন। চিনি ঠোঁটের মরা চামড়াগুলোকে পরিষ্কার করতে এবং লেবু সূর্যের ফলে কালো হয়ে যাওয়া ঠোঁটের চামড়াকে উজ্জবল করতে সাহায্য করে।
২। মধুর সাথে চিনি এবং কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল মিশিয়ে ১০ মিনিট ঠোঁটে ঘষুন।
৩। ঠোঁটকে উজ্জ্বল করতে ল্যাক্টিক এ্যাসিড খুব উপকারী। নিয়মিত দুধ খাবার সাথে সাথে খানিকটা দুধ তুলোয় করে ঠোঁটে ঘষে নিন। শুষ্ক চামড়াকে তুলে ফেলার মাধ্যমে দুধ ঠোঁটের কালো হওয়াকেও প্রতিরোধ করে।
৪। গোলাপের পাপড়িও ঠোঁটের গোলাপী ভাব আনতে সাহায্য করে। এজন্য গোলাপের পাপড়ি দুধের মধ্যে রেখে তাতে মধু ও গ্লিসারিন মিশিয়ে নিন। প্রলেপটি ১৫ মিনিট ঠোঁটে মাখুন। এরপর দুধ দিয়ে ঠোঁটকে মুছে নিন। প্রতিদিন এই প্রলেপটির ব্যবহার আপনার ঠোঁটকে করে তুলবে আকর্ষনীয়। 
৫। লেবুর ভেতরের এসিড ঠোঁটের শুষ্ক চামড়াকে তুলে ফেলতে সাহায্য করে। তবে লেবুর রসের সাথে খানিকটা চিনি ও মধু মিশিয়ে ঘরে বসেই নিতে পারেন ঠোঁটের পুরোপুরি যত্ন। প্রলেপটি মাখার একঘন্টা পর ধুয়ে নিন।

৬। লেবুর রসের সাথে খানিকটা গ্লিসারিন মিশিয়ে ঠোঁটে মাখুন। কয়েকদিনেই আপনি পাবেন চমত্কার ফলাফল।
৭। বাদামের তেল, মধু ও চিনির মিশ্রন করুন। প্যাকটি আপনার ঠোঁটকে কেবল সুন্দরই করবে না, কোমলতাও বাড়াবে।
৮। ঘুমানোর আগে ঠোঁটে পালং পাতা ঘষে নিন। সাথে রাখতে পারেন জাফরানও। এই দুটি সহজলভ্য উপাদানের নিয়মিত ব্যবহার আপনার শুষ্ক ঠোঁটকে সারিয়ে তুলবে এক নিমিষেই।
৯। কমলালেবু খাবার সময় এর বীচিগুলোকে সংরক্ষণ করুন এবং নিয়মিত ঠোঁটকে এগুলোর দ্বারা পরিষ্কার করুন।
১০। প্রতিদিন টমেটো পেষ্ট করে ঠোঁটে মাখুন। আপনার ঠোঁট হবে উজ্জ্বল।
১১। শশার রসও ঠোঁটের কালো হওয়কে প্রতিরোধ করে। ফলাফল পেতে প্রতিদিন অন্তত ৫ মিনিট শসার রস ঠোঁটে ঘষুন।
ঠোঁটের ধূমপানজনিত কালচে দাগ দূর করুণ সহজ কিছু উপায়ে

ঠোঁটের ধূমপানজনিত কালচে দাগ দূর করুণ সহজ কিছু উপায়ে

মনে রাখবেন-
  • – ধুমপান ঠোঁটের জন্যে ক্ষতিকর। তাই ধুমপান থেকে বিরত থাকুন।
  • – রাতে ঘুমাতে যাবার আগে লিপস্টিক তুলে ফেলতে ভুলবেননা।
  • – জিহ্বা দিয়ে অবিরত ঠোঁট ভেজানো বন্ধ করুন। এতে সাময়িক আরাম মিললেও আসলে ঠোঁটের সৌন্দর্য হানি হয়। বদলে ব্যবহার করুন লিপজেল।
  • – ফাস্টফুডের পরিবর্তে শাক-সব্জী খাওয়ার পরিমাণ বাড়ান।
  • – চা এবং কফির পরিবর্তে পানি খাবার পরিমাণ বাড়ান। প্রচুর পরিমাণে পানি আপনার ঠোঁটকে রাখতে পারে সুস্থ ও স্বাভাবিক সৌন্দর্যময়।

Hanif Enterprise; At one time he was just a truck. He is now 1 billion as the owner of the bus ? (হানিফ এন্টারপ্রাইজ; এক সময় মাত্র একটি ট্রাক ছিল তার। এখন তিনি ১২শ' বাসের মালিক যেভাবে ?)

হানিফ এন্টারপ্রাইজ

হানিফ এন্টারপ্রাইজ; এক সময় মাত্র একটি ট্রাক ছিল তার। এখন তিনি ১২শ' বাসের মালিক

এক সময় মাত্র একটি ট্রাক ছিল তার। এখন তিনি একে একে ১২শ’ বাসের মালিক। দেশের বিভিন্ন এলাকার সঙ্গে সেতুবন্ধন তৈরি করে চলেছে তার বাসগুলো। এলাকায় তিনি ‘ফাদার অব ট্রান্সপোর্টেশন’ হিসেবেই পরিচিত।
সংগ্রামী ও সফল এই মানুষটির নাম জয়নাল আবেদীন। হানিফ এন্টারপ্রাইজের স্বপ্নদ্রষ্টা তিনি। জীবনের শুরুটা বেশ বন্ধুর ছিল তার। তবে তা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হন নিরলস শ্রম আর কঠোর অধ্যাবসায়ে।
তার হাত ধরেই বিকশিত হয়েছে দেশের পরিবহন খাত। গণপরিবহনে তার ভূমিকা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে সবাই। এলাকার মানুষ তাকে ডাকেন জয়না মহাজন নামে।

জয়নাল আবেদীনের জন্ম ও বেড়ে ওঠা ঢাকার সাভারে। মাত্র একটি ট্রাক নিয়ে পথ চলা শুরু। পরবর্তীতে শুরু কোচ ব্যবসা। গড়ে তোলেন পরিবহন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ‌‘হানিফ এন্টারপ্রাইজ’। ছোট ছেলে হানিফের নামেই গড়ে তুলেছিলেন হানিফ এন্টারপ্রাইজ। তারপর আর পেছনে তাকাতে হয়নি।

পেট্রোল পাম্প, সিএনজি স্টেশন, ব্রিকস ম্যানুফ্যাকচারিং, কোল্ডস্টোরেজ, পানীয় ও প্রকাশনা ব্যবসাও গড়ে তুলেছেন এ স্বপ্নবাজ মানুষ। পরবর্তীতে যেখানেই হাত দিয়েছেন সোনা ফলিয়েছেন সেখানেই।
Hanif Enterprise বড় ছেলে আলহাজ্ব কফিল উদ্দিন রাজনীতিবিদ। সাভার উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমান সরকারের আমলে নানা প্রতিবন্ধকতার বেড়াজাল ডিঙ্গিয়ে বিপুল ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হয়েছেন সাভার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান।
তবে রাজনীতি সম্পর্কে তীব্র অনীহা জয়নাল আবেদীনের। বাবা হাজী মো. আজিম উদ্দিন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় টানা দুই যুগ আমিনবাজার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। কিন্তু রাজনৈতিক পরিবারে বেড়ে উঠলেও প্রথম থেকেই রাজনীতিকে পাশ কাটিয়ে চলেছেন জয়নাল আবেদীন। মিডিয়া তাকে আকর্ষণ করে না।
সবাই দুই ছেলেকে চিনলেও হানিফ এন্টারপ্রাইজের আসল কারিগর জয়নাল আবেদীন সবসময়ই গণমাধ্যমকে এড়িয়ে চলেছেন। তাই তাকে নিয়ে কৌতুহলের শেষ নেই সাধারণ মানুষের।
সম্প্রতি জয়নাল আবেদীনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে বিনীতভাবে জানিয়ে দেন, কোন সাক্ষা‍ৎকার ও ছবি নেওয়া যাবে না। কিন্তু পাঠকদের আগ্রহের কথা স্মরণ করিয়ে দিতেই কিছুটা নমনীয় হন তিনি। বলতে থাকেন তার সাফল্যের সেই দিনগুলোর অজানা গল্প।
জয়নাল আবেদীন বলেন, আমার জন্ম সাভারের আমিনবাজারের হিজলা গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম ব্যবসায়ী পরিবারে। পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে আমি ছিলাম পঞ্চম। বাবা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান থাকার সময় আমদানি রফতানির ব্যবসা করতেন। বিশেষ করে তিনি ধান-চাল ও চামড়ার সফল ব্যবসায়ী ছিলেন।
আমার বাবাই ছিলেন প্রথম ব্যবসায়ী যিনি সে সময় প্রথম করাচী, বোম্বে (বর্তমান মুম্বাই) ও বার্মার (বর্তমানে মায়ানমার) সঙ্গে জলপথে আমদানি-রপ্তানির ব্যবসা শুরু করেন। সে সুবাদে সমাজের অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তি ও রাজনীতিবিদ আসতেন আমাদের বাড়িতে। সে সময় আমার বড় ভাই সালাউদ্দিন ডাক্তারি পড়ছিলেন।

Image result for Hanif Enterpriseআমি তখন ভর্তি হই আমিনবাজার মিরপুর মফিদ-ই-আম জুনিয়র মাদ্রাসায়। সেখান থেকে বাবা আমাকে ভর্তি করেন মিরপুর সিদ্ধান্ত উচ্চ বিদ্যালয়ে। সে সময় আমি অত্যন্ত দূরন্ত ছিলাম। লেখাপড়ায় মন ছিল না। সারাদিন এখানে ওখানে ঘুরতাম।
এরই মধ্যে বাবা বড় ভাইয়কে বিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন। মিরপুরের হাজী নুরুল ইসলামের মেয়ে মমতাজ বেগমের সঙ্গে তার বিয়ে ঠিক করলেন। কিন্তু বড় ভাই তখন বিয়েতে রাজি ছিলেন না। তাই আমাকেই বসানো হলো সেই বিয়ের পিঁড়িতে। তখন আমার বয়স মাত্র ১৪ বছর। আর মমতাজ বেগমের বয়স ছিল মাত্র ১২ বছর।
পড়াশোনায় মনোযোগী না হওয়ায় ব্যবসা শুরু করলাম। বাবার টাকায় শুরু করলাম ধান-চালের ব্যবসা। সে সময় এতো পরিবহন তো ছিলই না, এমনকি দূরপাল্লার রাস্তাও ছিল কম। যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম ছিল ট্রেন, না হয় নৌপথ।

Image result for Hanif Enterprise
ধান-চালের ব্যবসায় কমলাপুর থেকে ট্রেনে সান্তাহার-সেখান থেকে বাসে চেপে নওগাঁ-তারপর টমটম ধরে মহাদেবপুর-সেখান থেকে পায়ে হেটেঁ চলে যেতাম মহিষবাথান নামের জায়গায়। সেখানের মানুষ আমার কাছে তিন হাজার টাকা দেখে অবাক! তারা ভাবছিল এত কম বয়সী ছেলের হাতে এত টাকা! এমনকি আমাকে চাল ব্যবসায়ী মনে করাটাও বোকামি মনে করছিল অনেকে।
হঠাৎ পূর্ব পাকিস্তানে চালে আকাল। চালের সরবরাহ কম, মূল্য বেশী। তাই চাল কিনতে প্লেনে চেপে যশোর গেলাম। ভাড়া ছিলো মাত্র ২৭ টাকা। সাথে ছিল আমার গোমস্তা। সে সময়ই আমি একাই আড়াইশ মণ চাল কিনলাম। এবার ফেরার পালা।

নানা ঘাট হয়ে আমাদের চাল বোঝাই নৌকা যখন মুন্সীগঞ্জের কাছে পদ্মায় ভাসছিল তখন প্রচণ্ড ঝড়ে নৌকা ডুবে গেল। সে যাত্রায় মাঝিদের সহায়তায় প্রাণে রক্ষা পাই। যতদূর মনে পড়ে, ওই দুর্ঘটনায় হাতের মুঠোয় আকঁড়ে রাখা ৫০ টাকা ছিল বাড়ি ফেরার শেষ সম্বল। বাড়ি ফিরে ধান-চালের ব্যবসা বাদ দিলাম।
এরপর পরিবারের ৫ ভাই একসঙ্গে হজ্ব করতে সৌদি আরবে গেলাম। এ ঘটনা এলাকায় তো বটেই, ভরতবর্ষেও তোলপাড় তুলে দিলো। তৎকালীন লর্ড এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করে আমাদের পরিবারকে ঐতিহ্যবাহী পরিবার অ‍াখ্যা দেন। এলাকায় আমাদের বাড়ির নাম হলো হাজী বাড়ি। আমরা কলকাতা বন্দর থেকে জলপথে জাহাজে চেপে সৌদি বন্দরে পৌঁছালাম। সেখান থেকে উটের পিঠে চড়ে গেলাম মক্কা-মদিনায়।

স্বাধীন হওয়ার পর দেশ পুনর্গঠনে ডাক পড়লো। মানিক মিয়া এভিনিউ, সংসদ ভবন এলাকায় তখন বোরো ক্ষেত। ওই ক্ষেতে সাব কন্ট্রাক্টে শুরু করলাম মাটি ফেলার কাজ। মাত্র ১৪ হাজার টাকায় তিন টনি একটি পেট্রোল ট্রাক কিনলাম।
সেখান থেকেই শুরু। সঙ্গে কয়েকটি ট্রাক ভাড়াও নিলাম। পরে ট্রাকটি বিক্রি করে বেডফোর্ডের পাঁচ টনি ডিজেল ট্রাক কিনলাম।
একই সময় কাজ পেলাম ফেনীর মাতা ম‍ুহুরী নদীর বাঁধ নির্মাণে। সেখানেও সাব কন্ট্রাক্ট। মাটি ফেলার জন্যে ঠিকাদার আমাকে অগ্রীম ১০ লাখ টাকা দিলেন। তা দিয়ে কিনলাম দুটি হিনো কোচ। ছোট ছেলে হানিফের নামে যাত্রা শুরু করলো ‘হানিফ এন্টাপ্রাইজ’। প্রথমে ঢাকা-বগুড়া রুটে।
পরবর্তীতে একটির সাফল্য ধরে আরো একটি একটি করে রুট বাড়তে থাকলো। এভাবেই গত চার দশকে বহরে যুক্ত হয়েছে ১২শ’ বাস।

Image result for Hanif Enterprise
রাজনীতিতে না আসার কারণ জানতে চাইলে জয়নাল আবেদীন বলেন, হয়তো আরও বহুদূর যেতাম! তারপর নিজের আবেগ থামিয়ে সতর্ক হয়ে কথায় ফিরিয়ে আনেন নিজেকে।
বর্তমানে হানিফ এন্টারপ্রাইজে প্রায় ৫০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান রয়েছে। সততা, বিশ্বস্ততা আর নির্ভরতার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন জয়নাল আবেদীন। আজ অনেকেই তার দুই ছেলেকে চেনেন। আর এখানেই তার আনন্দ।

The time to deliver low cost electricity from house to house bacteria! ( ঘরে ঘরে এ বার কম খরচে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেবে ব্যাকটেরিয়া ! )

bac-1

ব্যাকটেরিয়া দিয়ে বানানো সেই ন্যানো-ওয়্যার। Bacteria made the nano-wire.

আমার, আপনার ঘরে এ বার বিদ্যুৎ পৌছে দেবে ব্যাকটেরিয়া! অফুরান বিদ্যুৎ, খুবই কম খরচে। যে-বিদ্যুতে চলবে মোবাইল ফোন। ট্রানজিস্টর, ক্যাপাসিটর। চলবে মোবাইল টেলিভিশন, অডিও, ভিডিও রেকর্ডার। অপারেশন থিয়েটারে হৃদযন্ত্রের ধুকপুকানি বা কিডনির কাজকর্ম বোঝার মেডিক্যাল সেন্সরেও বিদ্যুৎ জোগাবে এ বার দধীচী ব্যাকটেরিয়ার শরীর দিয়ে গড়া বিদ্যুৎ পরিবাহী তার। আমাদের জীবনে, যাপনে আরও বেশি করে ঢুকে পড়বে ব্যাকটেরিয়ারা। এই অণুজীব আরও বেশি করে হয়ে উঠবে আমাদের বন্ধু!
( Electricity, very low cost. Mobile phones will be in power. Transistors, capacitors. Run mobile TV, audio, video recorder. Dhukapukani heart or kidney function sensor operation is to provide the medical understanding of the times, "dadhici 'bacteria in the body are made of electrically conductive. In our lives, to live more will be entered byakateriyara. The microorganisms will become more and more of our friends! )
আপাদমস্তক ব্যাকটেরিয়ার শরীর দিয়ে গড়া বিদ্যুৎ পরিবাহী তার-ই (ন্যানো-ওয়্যার) আর কয়েক বছর পর আমাদের ঘর, সংসার, কাজের জগতে ব্যবহৃত যাবতীয় ইলেকট্রনিক গ্যাজেটস চালাবে। তাকে যখন তখন, যত্রতত্র বয়ে নিয়ে বেড়ানোর সাহস জোগাবে। যুদ্ধক্ষেত্রে জওয়ানদের খাবারদাবার, জামাকাপড়, ওষুধপত্র, অস্ত্র পাঠাতে বিমানের বিকল্প জ্বালানি বানানোরও মূল রসদটা জোগাবে এই ব্যাকটেরিয়াই।
Bacteria from head to toe, his body was fabricated with electrically conductive (nano-wire), and a few years later, our house, family, and the world of work will be used in all sorts of electronic gadgets. When her memoirs would bring courage trips. Soldiers on the battlefield food, clothes, medicines, weapons, aircraft, alternative fuel bananorao the rasadata would send the bacteria. )
কোনও গল্পকথা নয়। নয় কোনও কল্প কাহিনীও। নজরকাড়া এই গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে বিজ্ঞান-জার্নাল নেচার-ন্যানোটেকনোলজি-র অগস্ট সংখ্যায়। যার শিরোনাম- সিন্থেটিক বায়োলজিক্যাল প্রোটিন ন্যানো-ওয়্যারস্‌ উইথ হাই কনডাক্টিভিটি। মূল গবেষক আমহার্স্টের ম্যাসাচুসেট্স বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, মাইক্রো-বায়োলজিস্ট ডেরেক লাভলে গবেষণাপত্রে লিখেছেন, ‘‘ব্যাকটেরিয়ার শরীর দিয়ে গড়া এই বিদ্যুৎ পরিবাহী তার বা ন্যানো-ওয়্যার বানানো যাবে সৌরশক্তি, কার্বন ডাই-অক্সাইড বা উদ্ভিদের বর্জ্য পদার্থের মতো পরিবেশ-বান্ধব অপ্রচলিত শক্তির উৎসগুলিকেো ব্যবহার করেই। ব্যাকটেরিয়ার শরীর দিয়ে গড়া এই বিদ্যুতের তারগুলি শিশুরা মুখে দিলেও, তা ক্ষতিকর হবে না (নন-টক্সিক)। এর মধ্যে থাকবে বিশেষ একটি প্রোটিন। ট্রিপ্‌টোফান। এই বিদ্যুতের তারের ব্যাস হবে দেড় ন্যানো-মিটার। মানে, আমাদের চুলের চেয়ে ৬০ হাজার গুণ বেশি পাতলা (থিনার)। ফলে, এই তারগুলি ব্যবহার করে সূক্ষ্ণ থেকে সূক্ষ্ণতর ইলেকট্রনিক গ্যাজেটস বানানো যাবে। যা খুব সহজে বহনযোগ্যও হবে।’’ গবেষকদলে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে দুই ভারতীয়ের। এক জন বাঙালি- রমেশ ওয়াই অধিকারী। অন্য জন- মুম্বইয়ের সন্তান নিখিল মভলঙ্কর।
No, not myths. Not a Fiction. This research has been published in the journal Science remarkable "nyanotekanolaji the August issue of Nature. Title of 'synthetic nano-biological protein with high kanadaktibhiti oyyaras. The researchers at the University of Massachusetts professor amherst, micro-biologist Derek labhale paper wrote, 'This is the work of the bacterial bodies can be made electrically conductive wires or nano-wire solar energy, carbon dioxide or waste materials, such as environment-friendly non-conventional power plants using utsagulikeo . The electricity cables are made with the children, but in the face of the bacterial body, it would not be harmful (non-toxic). There will be a special protein in. "Triptophana. Half the diameter of the nano-meter power cable. I mean, our hair is more than 60 thousand times thinner (Thinners). As a result, these cables can be made using the precision of the Subtler electronic gadgets. Which will be easily portable. 'Gabesakadale a significant role in the two Indians. A Wi-banali Ramesh Adhikari. All the other children mabhalankara jana Mumbai. )
যে ভাবে ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে দিয়ে চলে বিদ্যুৎ..That way electricity moves through bacteria..
ব্যাকটেরিয়া দিয়ে গড়া বিদ্যুৎ পরিবাহী ন্যানোওয়্যার।Nyanooyyara bacteria fabricated with electrically conductive.
 কোন ব্যাকটেরিয়া দিয়ে বানানো যাবে এই কম খরচে বেশি বিদ্যুৎ বয়ে নিয়ে যাওয়ার তার?
(No bacteria can be made with low-cost electricity to carry her) ?
ইয়েল বিশ্ববিদ্যালেয়ের বায়োফিজিক্স, ন্যানো-টেকনোলজি ও মাইক্রো-বায়োলজির গবেষক রমেশ ওয়াই অধিকারী বলছেন, ‘‘আমরা গবেষণাটা চালিয়েছি বিশেষ এক ধরনের ব্যাকটেরিয়ার ওপর। যারা মাটিতে মিশে থাকে। তাই তাদের নাম জিওব্যাকটার। যাদের বৈজ্ঞানিক নাম- জিওব্যাকটার মেটালিরেডিওসেন্স। থাকে মাটিতে। এরাই আপাতত প্রথম হদিশ মেলা কোনও ব্যাকটেরিয়া যারা জৈব পদার্থকে (যৌগ) মরচের মতো এক ধরনের খনিজ পদার্থ আয়রন অক্সাইড দিয়ে জারিত করে (অক্সিডাইজ) কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস তৈরি করে। মানে, ওই ব্যাকটেরিয়াকে এই কাজে বাড়তি শক্তি জোগায় আয়রন অক্সাইড, তার অক্সিজেন
Bisbabidyaleyera Biophysics at Yale, nano-technology and Micro-Biology, researchers Wi Ramesh Adhikari says, '' We have carried out a special study on the type of bacteria. If the dust. So the name 'jiobyakatara. Whose scientific name 'jiobyakatara metalirediosensa. If the ground. They are no bacteria in the first exhibition tracing the organic substance (compound) as a kind of rust and oxidize the iron oxide mineral (aksidaija) creates carbon dioxide gas. This means that the bacteria of iron oxide in this work provides additional strength, her oxygen )
বাঙালি পদার্থবিজ্ঞানী রমেশ ওয়াই অধিকারী..The physicist Wi Ramesh Adhikari
 পরমাণুগুলি দিয়ে। ঠিক একই ভাবে আমাদের শরীরও তার রোজকার কাজকর্মের জন্য কাজে লাগায় অক্সিজেনকে। এই ব্যাকটেরিয়াদের শরীরের মধ্যে দিয়ে ঝড়ের গতিতে ছুটতে পারে বিদ্যুৎ। এ-প্রান্ত থেকে ও-প্রান্তে। তবে সেই বিদ্যুৎ আমাদের কাজে লাগার মতো পর্যাপ্ত নয়। তাই আমরা ওই বিশেষ প্রজাতির ব্যাকটেরিয়ারই একটি জেনেটিক্যালি মডিফায়েড (জিএম) প্রতিরূপ বানিয়েছি গবেষণাগারে। যা জলে ডুবিয়ে রাখলেও বাধাহীন ভাবে বিদ্যুৎ পরিবহণ করতে পারে, প্রচুর পরিমাণে। আমরা দেখেছি, ওই জেনেটিক্যালি মডিফায়েড জিওব্যাকটার ব্যাকটেরিয়ার বিদ্যুৎ পরিবহণ ক্ষমতা সাধারণ জিওব্যাকটারের চেয়ে কম করে ২ হাজার গুণ বেশি। আর ওই জেনেটিক্যালি মডিফায়েড জিওব্যাকটার ব্যাকটেরিয়ার শরীরে বিদ্যুৎ ছোটেও অসম্ভব দ্রুত গতিতে।’’
Atoms. Exactly the same way our body utilize oxygen for its daily operations. This byakateriyadera can run electricity into the body through the storm. From edge-to-edge. But that is not enough fire power in our work. So we byakateriyarai that particular species is a "genetically modified (GM) replica made in the laboratory. Though unobtrusive way in which the water can transport electricity, plenty. We have seen, that 'genetically modified' electricity transport capacity of the bacterial jiobyakatara jiobyakatarera less than two thousand times more. And that 'genetically modified' jiobyakatara bacteria in the body's energy goes faster. '' )
সেই ‘জিওব্যাকটার’ ব্যাকটেরিয়া, যা দিয়ে বানানো যাবে বিদ্যুৎ পরিবাহী তার..The 'jiobyakatara' bacteria, which can be made of electrically conductive.
কিন্তু কী ভাবে মাটিতে মিশে থাকা ওই বিশেষ প্রজাতির ব্যাকটেরিয়ার জেনেটিক মডিফায়েড প্রতিরূপের শরীরে বিদ্যুৎ পরিবহণের ক্ষমতা এতটা বাড়ানো সম্ভব হল ?
(But what of those on the ground in certain species of bacteria, genetic modified "model's body as possible to increase the power transfer capability) ?
আমেরিকার জাক্সোনভিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োফিজিক্সের অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর, মুম্বইয়ের সন্তান নিখিল মভলঙ্কর বলছেন, ‘‘ওই বিশেষ প্রজাতির (জিওব্যাকটার) ব্যাকটেরিয়ার প্রাকৃতিক রূপটির শরীরে যে দুটি অ্যামাইনো অ্যাসিড (প্রোটিন) থাকে, আমরা তার জেনেটিক্যালি মডিফায়েড (জিএম) প্রতিরূপ বানানোর সময় সেই দুটি প্রোটিনকে সরিয়ে নিয়েছিলাম। তার জায়গায় ওই ব্যাকটেরিয়ার প্রতিরূপের শরীরে ঢুকিয়ে দিয়েছিলাম অন্য একটি প্রোটিন। ট্রিপ্‌টোফান। ঘুম ঘুম ভাব, অবসাদে এলিয়ে পড়ার ক্ষেত্রে খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয় বলে এই প্রোটিনের যথেষ্ট দুর্নাম রয়েছে। কিন্তু ওই প্রোটিনই কেল্লা ফতে করে দিয়েছে! ওই প্রোটিনই জিওব্যাকটার ব্যাকটেরিয়ার জেনেটিক্যালি মডিফায়েড প্রতিরূপের শরীরে বিদ্যুৎ পরিবহণের ক্ষমতা এক লাফে ২ হাজার গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। কারণ, বিদ্যুৎ পরিবহণের জন্য যা খুব জরুরি, সেই ইলেকট্রন কণা এই প্রোটিনের মধ্যে দিয়ে খুব ভালো ভাবে ছুটতে পারে। ছুটতে পারে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে।’’
American Biophysics jaksonabhile assistant professor at the University of Mumbai mabhalankara son Nikhil says, 'that particular species (jiobyakatara) natural bacteria that form the body of the two amino acids (protein), and we' genetically modified (GM) build replica of the two "We took away the protein. The bacteria enter the body, gave its place to another in a protein model. "Triptophana. Sleepy, fatigue reclining very important role in the study of this protein is enough 'reputation' is. But that has protinai bring home the bacon! The protinai 'jiobyakatara' bacteria 'genetically modified' model of power transfer capacity of the body of a jump two-fold increase. Because, which is very important for transporting electricity, the electrons in the protein particles can run very well. Can run very fast pace. '' )
 বিকল্প জ্বালানি বানাতেও কি খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে এই জেনেটিক্যালি মডিফায়েড জিওব্যাকটার ব্যাকটেরিয়া ?
Alternative fuels could make a very important role in this 'genetically modified' jiobyakatara "bacteria? )

বাঙালি গবেষক রমেশ জানাচ্ছেন, ইরান, ইরাক, কুয়েত ও আফগানিস্তানের মতো দেশগুলিতে, যেখানে বিদ্রোহীরা তেলের কূপগুলি জ্বালিয়ে, পুড়িয়ে দেয় প্রতিপক্ষ সেনার সাঁজোয়া গাড়ি বা বিমানকে জ্বালানি ভরার সুযোগ না দেওয়ার জন্য, সেখানে এই ব্যাকটেরিয়া থেকে বিকল্প জ্বালানি বিউটানল বানানো যাবে আপৎকালীন ব্যবস্থা হিসেবে।
The researchers report Ramesh, Iran, Iraq, Kuwait, and in countries such as Afghanistan, where insurgents oil wells on fire, burned down the opponent soldiers, backed by armored vehicles or aircraft for refueling opportunity, where the bacteria from the alternative fuel 'biutanala "will be built as an emergency measure . )
 ফলে, বিদ্যুৎ পরিবহণ থেকে শুরু করে বিকল্প জ্বালানি- জীবনে, যাপনে আরও বেশি করে জড়িতে পড়তে চলেছে ব্যাকটেরিয়া।


Tears are not a cost ? Bank bar on the first tears ! ( চোখের জলের হয় না কোনও দাম ? এ বার চালু হচ্ছে প্রথম টিয়ার্স ব্যাঙ্ক ! )

tears-1

Tears are not a cost?  চোখের জলের হয় না কোনও দাম?

কে বলল, চোখের জলের হয় না কোনও দাম?

এ বার চোখের জলও কেনা যাবে! চোখের জল জমিয়ে রাখা যাবে। চোখের জল দেওয়া, নেওয়ার জন্য এ বার চালু হচ্ছে টিয়ার্স ব্যাঙ্ক। সেই ব্যাঙ্কে চোখের জল দেওয়া বা সেখান থেকে চোখের জল নেওয়ার জন্য এ বার অ্যাকাউন্ট খোলা যাবে চোখের জলের ব্যাঙ্কে। রীতিমতো দাম চুকিয়েই চোখের জল নিতে হবে এ বার ওই টিয়ার্স ব্যাঙ্ক থেকে। বিভিন্ন প্রয়োজনে। বিজ্ঞানীদের গবেষণায়। বিভিন্ন ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থার রিসার্চ সেলের চাহিদা মেটাতে। ব্লাড ব্যাঙ্ক ও প্রতিস্থাপন, গবেষণার জন্য কিডনি, ফুসফুস সহ বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ব্যাঙ্কের পর এ বার চালু হতে চলেছে টিয়ার্স ব্যাঙ্কও।
 মূল উদ্যোগটা যিনি নিচ্ছেন, তিনি এক জন ইজরায়েলি নিউরো-বায়োলজিস্ট, রেহ্‌ভোতের ওয়াইজ্‌ম্যান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স-এর অধ্যাপক নোয়াম সবেল। সঙ্গী এক অনাবাসী ভারতীয় নিউরো-সায়েন্টিস্ট অনিতা সারেঙ্গি।

Why not dilema soaked in tears ...  কেন চোখের জলে ভিজিয়ে দিলেম না...
কেন তাঁরা এই অভিনব উদ্যোগের কথা ভাবছেন?
সম্প্রতি কলকাতায় তাঁর এক পারিবারিক বন্ধুর কাছে ঘুরতে এসেছিলেন সবেল। আনন্দবাজারকে বললেন, ‘‘আমরা দীর্ঘ দিন ধরে গবেষণা করছি চোখের জল নিয়ে। একেবারে হালে আমরা গবেষণায় দেখেছি, মানুষের চোখের জল সব সময়েই রাসায়নিক বার্তা বা সংকেত (কেমিক্যাল সিগন্যাল) বয়ে নিয়ে বেড়ায়। কোনও মহিলার চোখে জলে থাকা ফেরোমোন সামনে দাঁড়ানো কোনও পুরুষের শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোনের ক্ষরণের পরিমাণ কমিয়ে দেয়। সেই পুরুষের যৌন উত্তেজনাকে প্রশমিত করে বা তাকে যতটা সম্ভব কমানোর চেষ্টা করে বা কমিয়ে দেয়। সেই গবেষণাপত্রটি ছাপা হয়েছে বিজ্ঞান-জার্নাল সায়েন্স-এ।
 
৬ রকমের ‘মুডে’র চোখের জল। মাইক্রোস্কোপের তলায়।6 kind 'mudera tears. Under a microscope.


Let's go deeper ... 4 types' mudera tears. Under a microscope. চল গভীরে যাই... ৪ রকমের ‘মুডে’র চোখের জল। মাইক্রোস্কোপের তলায়।
আমরা দুঃখ পেলে কাঁদি, খুব আনন্দ হলেও কাঁদি, খুব জোরে হাসতে হাসতেও আমাদের চোখ থেকে জল গড়িয়ে পড়ে। পেঁয়াজ কাটতে গিয়ে তার ঝাঁঝ লাগলে আমাদের চোখ থেকে জল বেরিয়ে আসে। আবহাওয়ায় গরম ও ঠাণ্ডার ফারাকটা খুব তাড়াতাড়ি ওঠা-নামা করলেও চোখ থেকে জল গড়িয়ে পড়ে। জলের অভাব নেই আমাদের চোখে। ওই অশ্রু বা টিয়ারই আমাদের চোখকে ভাল, সুস্থ ও তরতাজা রাখে। কর্নিয়াকে দেয় শ্বাসের বাতাস। কিন্তু মুশকিলটা হল, গবেষণার জন্য চোখের জল চট করে পাওয়া যায় না। কেউই তাঁর চোখের জল দিতে চান না। দুঃখে কাঁদা বা আনন্দে চোখের জল ফেলার সময় কেই-বা ভাবেন বলুন, একটা চামচে বা কাপে বা ছোট শিশিতে ভরে রাখি অশ্রু, পরে তা গবেষকদের হাতে তুলে দিতে হবে বলে? আর চোখের জল জমিয়ে রেখে অনেক পরে তা গবেষকদের হাতে তুলে দিলেও তো তেমন লাভ হয় না। ব্যাকটেরিয়া ও অন্যান্য পরিবেশগত কারণে তা নষ্ট হয়ে যায়। সেই চোখের জল নিয়ে আর গবেষণা করা যায় না। তাই টিয়ার্স ব্যাঙ্ক গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছি আমরা। আপাতত ইজরায়েলের রাজধানী তেল আভিভ শহরেই ওই টিয়ার্স ব্যাঙ্ক চালু হবে। পরে গবেষক ও বিভিন্ন ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থার প্রয়োজনে বিভিন্ন দেশে খোলা হবে তার শাখা।’’
চোখের জলের ক্যাটালগ. Tears catalog,
অশ্রুবিন্দুর কেলাস। এই ভাবেই পাওয়া যাবে টিয়ার্স ব্যাঙ্কে।Teardrop-shaped crystal. In this way, the bank can be found in tears.

তবে সেই ব্যাঙ্কেই বা কী ভাবে চোখের জলের দীর্ঘমেয়াদী আমানত সম্ভব হবে?
তারও উপায় বের করেছেন সবেলই। বললেন, ‘‘যাতে চোখের জলের রাসায়নিক উপাদানগুলি দীর্ঘ সময় ধরে একেবারে ঠিকঠাক থাকে, সে জন্য আমরা তাকে ঠাণ্ডায় জমিয়ে রাখার উপায়ও উদ্ভাবন করেছি। তার কয়েকটি ধাপ রয়েছে। তরল নাইট্রোজেনকে ব্যবহার করতে হয়। যা চোখের জলের তাপমাত্রা শূন্যের ৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস নীচে নামিয়ে দেয়। মানে, মাইনাস ৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ক্রায়োজেনিক পদ্ধতিতে সেই ঠাণ্ডায় জমানো চোখের জলকে রাখা হবে ব্যাঙ্কে। রক্ত, মূত্র, বিভিন্ন অ্যাম্‌নায়োটিক ফ্লুইডের মতো চোখের জলও কেনা বা পাওয়া যাবে অনলাইন অর্ডারের ভিত্তিতে। ওই ব্যাঙ্কে থাকবে বিভিন্ন বয়সের নারী ও পুরুষের চোখের জল। তার ফলে যে চোখের জল পেতে এখন গবেষক ও ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলির কালঘাম ছুটে যায়, তা দুসপ্তাহের মধ্যেই তাঁদের হাতে পৌঁছে যাবে। সিলিকন ভ্যালিরও খুব প্রয়োজন হবে চোখের জলের, সর্বাধুনিক প্রযুক্তির কনট্যাক্ট লেন্স বানাতে।’’
নিউরো-বায়োলজিস্ট নোয়াম সবেল..Neuro-biologist Noam sabela.
 চোখের জলের গবেষণা আমাদের কত দূর পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারে?
সহযোগী ভারতীয় গবেষক অনিতা সারেঙ্গির কথায়, ‘‘চোখের জল আমাদের মুড কী ভাবে কতটা বদলে দেয়, মস্তিষ্কের স্নায়ুর কোন কোন কার্যকলাপ তাদের নিয়ন্ত্রণ করে, ক্ষরণের আগে নিউরনগুলি কী ভাবে চোখের কোষ, কলাগুলিকে সিগন্যাল বা সংকেত পাঠায়, নারী ও পুরুষের চোখের জলের ফারাক কতটা, কতটা পার্থক্য থাকে তাদের রাসায়নিক উপাদানে, প্রচণ্ড খিদেয় কেন চোখে জল আসে, আবেগ-সঞ্জাত (ইমোশনাল) ও আবেগ-বিবর্জিত (নন-ইমোশনাল) চোখের জলের ফারাকটা কোথায় আর সেই ফারাকটা হয় কেন, এ সব বুঝতে সহজ করবে চোখের জলের ব্যাঙ্ক। কারণ, গবেষণার জন্য তখন চোখের জল পেতে অসুবিধা হবে না।’’

আবেগসঞ্জাত (বাঁ দিকে) ও আবেগবর্জিত চোখের জল। মাইক্রোস্কোপের তলায়।Abegasanjata (left side), and the tears unemotional. Under a microscope.
ইমোশনাল ও নন-ইমোশনাল চোখের জলের মধ্যে আপাতত কী কী ফারাক লক্ষ্য করেছেন গবেষকরা ?
সবেল বলছেন, ‘‘আমরাই প্রথম দেখিয়েছি, চোখের জলের মাধ্যমে মানুষ তার সঙ্গী, পরিচিত, কম পরিচিত বা অপরিচিতের সঙ্গে রাসায়নিক ভাবে যোগাযোগ (কেমিক্যাল কমিউনিকেশন) গড়ে তোলে। এটাকেই বলে কেমো-সিগন্যাল। যাতে কোনও গন্ধ থাকে না। তবে তা লবণাক্ত। এর আগে ওই কেমো-সিগন্যাল একমাত্র ব্লাইন্ড মোল র‌্যাট-এই পাওয়া গিয়েছিল। যদিও শিশু ও পুরুষের চোখের জল কোনও কেমো-সিগন্যাল পাঠায় কি না, সে ব্যাপারে এখনও নিশ্চিত নই আমরা। তবে আমরা দেখেছি, ইমোশনাল চোখের জলে অনেক বেশি প্রোটিন থাকে। চোখ ভাল রাখার জন্য সাধারণ চোখের জলে অতটা পরিমাণে প্রোটিন থাকে না। এই প্রোটিন আমাদের বগলেও থাকে। আমরা এও দেখেছি, পুরুষের ঘামের গন্ধ নারীদের সেই পুরুষের প্রতি যৌন আসক্তিকে বাড়িয়ে তোলে। সেই ঘামের গন্ধ বিভিন্ন পুরুষের ক্ষেত্রে বিভিন্ন রকমের হয়। এমনকী, পুরুষের বিভিন্ন মুডে সেই ঘামের গন্ধও হয় নানা রকমের। দেখা গিয়েছে, সদ্য মা হওয়া নারীর বক্ষ আবরণী বা জামাকাপড়ের গন্ধ অন্য নারীর (যিনি মা হননি বা আসন্নপ্রসবা নন) যৌন উত্তেজনা বাড়িয়ে দেয়।’’ 
আমার চোখের জল, তোমার চোখের জল তা হলে মুক্তো হয়ে গেল!
চোখের জল শ্রাবণে শ্রাবণে আমি তোমাকে চাই...না বলা কথায় আমি তোমাকে চাই...অকাল বোধনে আমি তোমাকে চাই...!
‌ছবি সৌজন্যে: নোয়াম সবেল, অধ্যাপক ‘ওয়াইজ্‌ম্যান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স’





Take a look at who has visited your Facebook profile! ( আপনার ফেসবুক প্রোফাইলে কে কে ভিজিট করেছে দেখে নিন ! )

আপনার ফেসবুক প্রোফাইলে কে কে ভিজিট করেছে দেখে নিন !
আপনার ফেসবুক প্রোফাইলে কে কে ভিজিট করেছে দেখে নিন !
 কীভাবে দেখবেন কে কে আপনার ফেসবুক প্রোফাইল সবচেয়ে বেশি ভিজিট করেছে (অ্যাপ ছাড়া)। আমরা অনেক সময় কৌতুহল বশত জানতে চাই যে, কে কে আমার প্রোফাইল ভিজিট করলো?
আবার অনেক সময় জানতে ইচ্ছে করে “ ফেসবুকের কোন বন্ধুটা চুপটি করে এসে কে আমার এফবি প্রোফাইল সবচেয়ে বেশি উলটে পালটে ঘুরে ঘুরে দেখেছে।” সামান্য কিছু পদ্ধতিতে দেখুন কিভাবে মেটাবেন আপনার কৌতুহল।
১) প্রথমে আপনার ফেসবুক একাউন্ট এ লগিন করুন।
২) তারপর আপনার প্রোফাইল পেজে প্রবেশ করুন।
Image result for আপনার ফেসবুক প্রোফাইলে কে কে ভিজিট করেছে দেখে নিন ! 

৩) এখন কিবোর্ড থেকে Ctrl+U প্রেস করুন একসাথে, আপনি আপনার প্রফাইল পেজের সোর্স কোড দেখতে পাবেন।
৪) এখন কিবোর্ড থেকে CTRL+F প্রেস করুন। যে বক্স আসবে অর্থাৎ একটা সার্চ বক্স আসবে সেখানে এই লিখাটা দিন তারপর সার্চ করুন {“list”:
৫) {“list”: এখানে অনেকগুলি আইডি নাম্বার থাকবে কমা দিয়ে। প্রথমে যেই আইডিটা থাকবে সেইটা হচ্ছে যে সবচেয়ে বেশি আপনার প্রোফাইল ভিজিট করেছে তার আইডি।

Image result for আপনার ফেসবুক প্রোফাইলে কে কে ভিজিট করেছে দেখে নিন !

৬) এখন চিন্তা করছেন নাম না দেখা গেলে আইডি নাম্বার দিয়ে কি করবেন? তো যেকোন একটা আইদি নাম্বার কপি করেন তারপর নতুন একটা টেব খুলে এইভাবে দিয়ে এন্টার প্রেস করুন দেখেন কীভাবে ঐ ব্যক্তির পুরা প্রোফাইল চলে আসতেছে।
http://www.facebook.com/Facebook_Profile_Idএখানে Facebook Profile Id এর জায়গায় আপনার কাক্ষিত আইডি টি দিবেন। উদাহরণঃ http:// www.facebook com/1234567


Image result for আপনার ফেসবুক প্রোফাইলে কে কে ভিজিট করেছে দেখে নিন !
 বিঃদ্রঃ যদি {“list”: দিয়ে সার্চ দেওয়ার পর লম্বা লিস্ট শো করে তাহলে উপরে View থেকে wrap Long Lines এ টিক দিলেই সবগুলি নিচের ছবির মত দেখা যাবে।



Thursday, September 1, 2016

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More

 
Design by Free WordPress Themes | Bloggerized by Lasantha - Premium Blogger Themes | Design Blog, Make Online Money